নিউজিল্যান্ডে বিপুল ভোটে জয়ী প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। অর্ধেকেরও বেশি ভোট গণনায় দেখা গেছে, আরডার্নের দল ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ ন্যাশনাল পার্টির প্রায় দ্বিগুণ বেশি ভোট পেয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। ছবি: রয়টার্স

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। অর্ধেকেরও বেশি ভোট গণনায় দেখা গেছে, আরডার্নের দল ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ ন্যাশনাল পার্টির প্রায় দ্বিগুণ বেশি ভোট পেয়েছে।

বার্তা সংস্থা এপি জানায়, নিউজিল্যান্ডের এখনকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় কোনো দলের পক্ষে পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন দুরূহ হলেও আরডার্নের দল পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে।

২৪ বছর আগে দেশটিতে মিশ্র সদস্য আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (এমএমপি) ব্যবস্থা চালুর পর কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এমএমপি ব্যবস্থায় ভোটারদের দুটো ভোট দিতে হয়। একটি দিতে হয় পছন্দের দলকে, অন্যটি নির্বাচনী আসনের পছন্দের প্রার্থীকে।

পার্লামেন্টে যেতে হলে একটি দলকে হয় কোনো নির্বাচনী আসনে জিততে হবে, নতুবা ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হবে।

সাধারণত, শাসনক্ষমতায় বসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর জোট গঠন করতে হয়। তবে এবার আরডার্ন ও লেবার পার্টি জোট গঠন না করেই শাসনক্ষমতায় বসতে চলেছে।

ক্রাইস্টচার্চ হামলাসহ বিভিন্ন সংকটে নেতৃত্বের জন্য বিশ্বজুড়েই আলোচিত নাম জেসিন্ডা আরডার্ন।

দক্ষতার সঙ্গে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশ্বজুড়েই তিনি প্রশংসিত হন। এ বছর সবগুলো জরিপেই ৪০ বছর বয়সী আরডার্নের একচ্ছত্র ‌আধিপত্য ছিল।

গত মাসে (সেপ্টেম্বর) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে নির্বাচন পিছিয়ে যায়। নিউজিল্যান্ডে গত ৩ অক্টোবর থেকে আগাম ভোটে ১০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

1h ago