দর্শকশূন্য ন্যু ক্যাম্প, সমর্থকদের মিস করবেন বার্সা কোচ

তার মতে, দর্শকদের উপস্থিতি অনেকটা মাঠে বাড়তি একজন খেলোয়াড় থাকার মতো।
 Camp Nou stadium in Barcelona
ক্যাম্প ন্যু। ফাইল ছবি: এএফপি

বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১১৮ বছর আগে। ১৯০২ সালের মে মাসের ওই এল ক্লাসিকোতে জিতেছিল বার্সা। তারা রিয়ালকে হারিয়েছিল ৩-১ গোলে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এরপর আরও ২৪৩ বার মুখোমুখি হয়েছে দুদল। তাতে নানা সময়ে নানা রকমের রোমাঞ্চ আর উত্তেজনার স্বাদ মিলেছে। এর মধ্যে একটি বিষয় ছিল নিয়ত। গ্যালারিতে ছিল দর্শক। কিন্তু এবারের লড়াইয়ে দেখা মিলবে এক ভিন্ন দৃশ্যের।

লা লিগায় শনিবার চলতি মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে মাঠে নামছে বার্সা ও রিয়াল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায়। করোনাভাইরাসের কারণে প্রথমবারের মতো দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এল ক্লাসিকো।

ন্যু ক্যাম্পের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৯৯ হাজার ৩৫৪ জন। বলার অপেক্ষা রাখে না, মাঠে উপস্থিত এই এক লাখ ভক্ত-সমর্থকদের প্রায় পুরো অংশ স্বাগতিক বার্সাকে উৎসাহ যুগিয়ে যায়। এতে লিওনেল মেসি-জেরার্দ পিকেরাও বাড়তি উন্মাদনা অনুভব করেন।

বার্সার নতুন কোচ রোনাল্ড কোমানের এটি প্রথম এল ক্লাসিকো। কিন্তু রিয়ালকে মোকাবিলা করার ক্ষণে স্টেডিয়ামে দর্শকদের পাবেন না তিনি। বিষয়টা অদ্ভুত ঠেকলেও বাস্তবতা মেনে নিচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক এই ফুটবলার।

ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কোমান বলেছেন, ‘অবশ্যই, আমরা (আমাদের সমর্থকদের) মিস করব। আমি মনে করি, সব দলের জন্যই এটা একই রকম। এটা বেশ অদ্ভুতুড়ে। এত বড় স্টেডিয়াম খালি থাকবে। স্বাগতিক দলের অনুকূল পরিবেশ কেউ তৈরি করবে না।’

‘তবে আমাদেরকে এর সঙ্গে অভ্যস্ত হতে হবে। আশা করছি, যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাদেরকে ফিরে পাব। বিশেষ করে, এই ধরনের ম্যাচে, বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যে, যখন স্বাগতিক দল তাদের ভক্তদের সমর্থন পেয়ে থাকে।’

‘এটা (দর্শকদের উপস্থিতি) অনেকটা মাঠে বাড়তি একজন খেলোয়াড় থাকার মতো। তাই অচিরেই তাদেরকে ফিরে পেতে আমি আশাবাদী।’

Comments

The Daily Star  | English
Rapidly falling groundwater level raises fear for freshwater crisis, land subsidence; geoscientists decry lack of scientific governance of water

Dhaka stares down the barrel of water

Once widely abundant, the freshwater for Dhaka dwellers continues to deplete at a dramatic rate and may disappear far below the ground.

10h ago