নতুন ফরোয়ার্ড কেনার সামর্থ্য ছিল না ম্যানসিটির!

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্লাব বলতে গেলে শুরুতেই নাম আসে ম্যানচেস্টার সিটির নাম। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম বিলিয়ন ইউরো খরচ করা ক্লাবই তারা। অথচ সেই ক্লাবটি কি-না অর্থের অভাবে একজন ফরোয়ার্ড কিনতে পারেনি। এমনই বিস্ময়কর এক তথ্য দিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ পেপ গার্দিওলা।
pep guardiola
ছবি: এএফপি

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্লাব বলতে গেলে শুরুতেই নাম আসে ম্যানচেস্টার সিটির নাম। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম বিলিয়ন ইউরো খরচ করা ক্লাবই তারা। অথচ সেই ক্লাবটি কি-না অর্থের অভাবে একজন ফরোয়ার্ড কিনতে পারেনি। এমনই বিস্ময়কর এক তথ্য দিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ পেপ গার্দিওলা।

রাতে মার্শেইর মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে নতুন ফরোয়ার্ড না কেনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এমনটা বলেছেন এ স্প্যানিশ কোচ, 'আমরা চিন্তা করেছিলাম, কিন্তু কাউকে নিতে পারিনি। ক্লাব তাই করে যা দরকার। আমাদের দলটা তরুণ। যখন নতুন ফরোয়ার্ড কেনার সিদ্ধান্ত নেই, তখন গ্যাব্রিয়েল ও আগুয়েরো মানের কাউকে কেনার সামর্থ্য আমাদের ছিল না। এটাই বাস্তবতা।'

ইচ্ছেমতো খরচ করে গত মৌসুমে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় নিষিদ্ধ হয়েছিল দলটি। তাদের বিপক্ষে অভিযোগ ছিল ইউরোপের সর্বোচ্চ ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ক্লাব লাইসেন্স ও ফেয়ার প্লে নীতির ‘মারাত্মক লঙ্ঘন’। যদিও পরে আপীল করে সে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পায় তারা। যদিও জরিমানা গুনতে হয়েছে তাদের। তাই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে বিশাল খরচ ফরোয়ার্ড কিনে নতুন করে কোনো ঝামেলা ডাকতে চায়নি দলটি।

তবে নতুন ফরোয়ার্ড না কেনার অভাবটা এখন হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন গার্দিওলা। দুই প্রধান দুই স্ট্রাইকারই মাঠের বাইরে। নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই ঊরুর চোটে পড়ে মাঠের বাইরে চলে যান গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এখন পর্যন্ত অনুশীলনে যোগ দেননি এ ফরোয়ার্ড। ধারণা করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহ থেকে অনুশীলন শুরু করতে পারেন তিনি। তবে ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে এক থেকে দেড় সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।

আর গত মৌসুমে লকডাউন থেকে ফেরার পর গত জুনে বার্নলির বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে হাঁটুতে আঘাত পান আগুয়েরো। ইনজুরি তখন এতোটা গুরুতর মনে হয়নি। ধারণা ছিল এক মাসের মধ্যেই ফিরে আসবেন এ তারকা। কিন্তু তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয় পাঁচ মাসেরও বেশি সময়। আর দুর্ভাগ্য ফিরেও ফের নতুন করে চোট পান। আবারও তাই ছিটকে গেছেন মাস খানেকের জন্য। সবমিলিয়ে তাই দুই সেরা তারকাকে হারিয়ে দিশেহারা অবস্থা কোচ গার্দিওলার।

তবে চাইলে একজন ফরোয়ার্ড কিনতে পারতেন তিনি। তার ধারণা ছিল নির্দিষ্ট সময়েই ফিট হয়ে যাবেন আগুয়েরো। আর জেসুস যে একই ইনজুরিতে পড়তে পারেন সেটাও ভাবেননি। গার্দিওলার ভাষায়, 'আমি বলছি না ক্লাব এটা করতে চায়নি, তারা আমাদের ক্লাবকে যতটা সম্ভব শক্তিশালী করতে চায়। কিন্তু আমরা ভেবেছিলাম আগুয়েরো ফিরে আসবে এবং গ্যাব্রিয়েল যে ইনজুরিতে পড়বে সেটা আশা করিনি।'

Comments

The Daily Star  | English

Signal 7 at Payra, Mongla as Cyclone Remal forms over Bay

Cox’s Bazar, Ctg maritime ports asked to hoist Signal 6

2h ago