ভাগ্যবান সাকিবের কাছে নিষেধাজ্ঞা শাপে বর

নিষেধাজ্ঞার সময়টা কেমন কেটেছে? সাকিব আল হাসানের জবাবের মর্মার্থ, একেবারে খারাপ কাটেনি।
shakib al hasan
ফাইল ছবি: ফিরোজ আহমেদ

নিষেধাজ্ঞার সময়টা কেমন কেটেছে? সাকিব আল হাসানের জবাবের মর্মার্থ, একেবারে খারাপ কাটেনি। আত্মোপলব্ধির সুযোগ মিলেছে বাংলাদেশের এই তারকা অলরাউন্ডারের, পেরেছেন পরিবারের সঙ্গে একটানা দীর্ঘ দিন থাকতে। তাই নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন সাকিব। আর সেকারণে এক বছরের শাস্তিও তার দৃষ্টিতে শাপে বর।

দেশের ইতিহাসের সেরা ক্রিকেটার সাকিব নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছেন গত ২৯ অক্টোবর। সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রমে ফিরতে এখন আর তার কোনো বাধা নেই।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) দেশে ফিরবেন সাকিব। তার আগে বুধবার রাতে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে হাজির হন তিনি। সেখানে গণমাধ্যমকর্মী ও ভক্ত-সমর্থকদের করা নানা প্রশ্ন থেকে বাছাইকৃতগুলোর উত্তর দেন।

করোনাভাইরাসের কারণে লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে রয়েছে বাংলাদেশ। ফলে সাকিবকে ছাড়া খুব বেশি ম্যাচ খেলতে হয়নি টাইগারদের। সবমিলিয়ে মাত্র দুটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ পুরোপুরি মিস করেছেন তিনি (ভারত সফর ও জিম্বাবুয়ে সিরিজ)।

এ প্রসঙ্গে ৩৩ বছর বয়সী সাকিব বলেছেন, ‘আমি তো নিজেকে সব সময় ভাগ্যবান মনে করি। আমার মনে হয়, এই দিক থেকেও অনেক ভাগ্যবান ছিলাম, যেহেতু (খেলা খুব বেশি) মিস করিনি। যদি জাতীয় দল খেলত বেশি আর আমি দেখতাম, তখন অনেক বেশি মিস করতাম। এটা সত্যি কথা। যেহেতু কোনো খেলা দেখার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের, মিস করারও সুযোগ হয়নি।’

কয়েক মাস আগে দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জনক হয়েছেন সাকিব। খেলার মধ্যে না থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সবার সঙ্গে লম্বা সময় উপভোগ করা হয়েছে তার, ‘প্রথম মেয়ের জন্মের সময় বেশি সময় দিতে পারিনি। দ্বিতীয় মেয়ে ভাগ্যবতী। আমিও ভাগ্যবান। দুজনকেই এবার অনেক সময় দিতে পেরেছি।’

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বদলেছে সাকিবের ভাবনার ছক। কঠিন সময়ে প্রাপ্ত ইতিবাচক অভিজ্ঞতার দিকেই নজর তার, ‘আমি বলব, হ্যাঁ। অনেক দিক থেকে (নিষেধাজ্ঞা) সাহায্য করেছে। জীবনের বিভিন্ন রকমের বিকল্পকে অনেক দিক থেকে চিন্তা করার সুযোগ করে দিয়েছে। অনেক দরজা খুলে গেছে বলে মনে হয়। শাপে বর হয়েছে বলতে পারেন।’

Comments

The Daily Star  | English
Shipping cost hike for Red Sea Crisis

Shipping cost keeps upward trend as Red Sea Crisis lingers

Shafiur Rahman, regional operations manager of G-Star in Bangladesh, needs to send 6,146 pieces of denim trousers weighing 4,404 kilogrammes from a Gazipur-based garment factory to Amsterdam of the Netherlands.

6h ago