শাহীন আখতারের সঙ্গে ‘তালাশ’ পরিভ্রমণ

বাংলাভাষার অন্যতম কথাসাহিত্যিক শাহীন আখতার তালাশ উপন্যাসের জন্য এশিয়া লিটারেরি অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসরে পুরস্কৃত হয়েছেন। এশিয়া লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। উপন্যাসটি ২০১১ সালে দ্য সার্চ নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে ভারত থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তারপর কোরীয় ভাষায় অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক সিং হি জন।

বাংলাভাষার অন্যতম কথাসাহিত্যিক শাহীন আখতার তালাশ উপন্যাসের জন্য এশিয়া লিটারেরি অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসরে পুরস্কৃত হয়েছেন। এশিয়া লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। উপন্যাসটি ২০১১ সালে দ্য সার্চ নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে ভারত থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তারপর কোরীয় ভাষায় অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক সিং হি জন।

শাহীন আখতার বাংলা সাহিত্যে অবদানস্বরূপ ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ময়ূর সিংহাসন উপন্যাসের জন্য আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কথাসাহিত্য পুরস্কার ও আইএফআইসি ব্যাংক পুরস্কার পেয়েছেন। তার আগে তালাশ পেয়েছিলো প্রথম আলো বর্ষ সেরা ২০০৪ পুরস্কার।

১৯৬২ সালে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার হারং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শাহীন আখতার। একাডেমিক পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তালাশ ও লেখালেখি নিয়ে শাহীন আখতার কথা বলেছেন দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে।

আমরা জানি, তালাশ বহু আলোচিত প্রশংসিত উপন্যাস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাঠক লেখক হিসেবে তালাশ কীভাবে আপনার কাছে অভিব্যক্ত হয়? উদাহরণ হিসেবে বলি- এখন যখন আপনি বইটার পাতা উল্টান, বিশেষ করে এশিয়ান লিটারেরি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার পর, তখন কি বইয়ের চরিত্র, কাহিনি কোনো নতুন মাত্রা পায়?

শাহীন আখতার: সত্যিকারে তালাশ সঙ্গে আমার একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে। ১৬ বছর আগে, ২০০৪ সালে বইটা ছাপা হয়েছে। তারও আগে আমি লেখা শেষ করেছি। তাছাড়া আমার মনে হয়, তালাশর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হোক আমি মনেপ্রাণে চাইছিলাম। ২০০৪ সালের পর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমি আর কিছু লিখিনি। তালাশ লিখতে লিখতে আমাকেও ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল। মন থেকে মুছে ফেলতে চাইছিলাম বিষয়টা।

হ্যাঁ, বইটা প্রকাশের পর পরই পাঠক-আলোচকদের নজর কাড়ে— প্রশংসা কুড়ায়, পুরস্কার পায় (প্রথম আলো বর্ষসেরা বই-২০০৪), যা লেখার সময় আমি কল্পনাও করিনি। তখন তালাশর পাতা উল্টিয়েছি, পাঠক বা সমালোচকের দৃষ্টিতে বইটার দিকে ফিরে তাকিয়েছি। কিছু ভাবনা নিশ্চয় মাথায় এসেছে তখন। কিন্তু, সত্যিকারের চমক— এশিয়া লিটারেরি অ্যাওয়ার্ড। তার আগে ২০১৬ সালে তালাশর ইংরেজি অনুবাদ পড়ে সিং হি জন (তালাশর কোরিয়ান অনুবাদক) আমাকে ইমেল করলে খুব আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম। কেননা, বার্তাটা এসেছে এমন একজনের কাছ থেকে, যাদেরও যুদ্ধের ভয়াল অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে, তাদের আগের জেনারেশন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভুক্তভোগী ‘কমফোর্ট উইমেন’। যারা প্রথমত যুদ্ধের সময় জাপানি সৈন্যদের হাতে নির্যাতিত হন, পরে যুদ্ধোত্তরকালে নানাভাবে নিগৃহীত হয়েছেন নিজের দেশে। যেমনটা আমাদের দেশের বীরাঙ্গনাদের বেলায় ঘটেছিল। তালাশ কোরীয়দের আবেগকে ছুঁতে পেরেছে ভেবে আমি তখন খুব আলোড়িত হয়েছিলাম। আর চোখের সামনে যেন দেখতে পাচ্ছিলাম— তালাশর চরিত্রগুলি নির্দিষ্ট সময় বা স্থান থেকে বেরিয়ে, এশিয়ার আরেকপ্রান্তের প্রায় আড়াই দশক আগের আরেকটি যুদ্ধের ভুক্তভোগী নারীদের সঙ্গে জায়গা বদলা-বদলি করে নিচ্ছে বা একাকার হয়ে যাচ্ছে। যার অনুরণন আমরা এশিয়া লিটারেরি অ্যাওয়ার্ডের বিচারকদের কণ্ঠে শুনতে পাচ্ছি।

তালাশ উপন্যাসে আমরা ট্রমা এবং স্মৃতির ‘সময়ের অভিব্যক্ত’ (evolved over time) দেখি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কি ইতিহাস স্মৃতির বিবর্ধন ঘটে এবং রূপান্তরে সাহিত্যের ভূমিকা কী? আপনি কি মনে করেন আপনার গল্প উপন্যাসে কাজটি যথার্থভাবে করতে পারছেন?

শাহীন আখতার: আমি তালাশর কথাই বলি। এটি মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস হলেও এর বিশাল অংশ জুড়ে যুদ্ধোত্তর সময়ের কাহিনি। তালাশ লেখার পটভূমিতে রয়েছে ৭১-এর ওরাল হিস্ট্রি প্রজেক্টে আমার কাজের অভিজ্ঞতা, যা আইন ও সালিশ কেন্দ্র ১৯৯৬ সালের শেষের দিকে শুরু করেছিল। তখন কয়েকজন বীরাঙ্গনার সাক্ষাৎকার ছিল চোখ খুলে দেওয়ার মতো। তারা নির্যাতন বা লড়াই করে বাঁচার কাহিনি বলতে গিয়ে যুদ্ধের নয় মাসের মধ্যে আটকে থাকেননি। বরং কাছাকাছি সময়ের বা বর্তমান সময়ের অভিজ্ঞতা বেশি করে বলতেন। তাছাড়া তাদের যুদ্ধপরবর্তী সময়ের কষ্টের অভিজ্ঞতা কখনো কখনো যুদ্ধের ভয়াল অভিজ্ঞতাকে ঢেকে দিত। আমি যখন লিখতে বসি, আমার ঝুড়িতে বীরাঙ্গনাদের শুধু নয় মাসের নির্যাতনের স্মৃতিই নয়, তার পরবর্তী ২৬, ২৭, ২৮ বছরের স্মৃতির সম্ভার। তখন আমার নিজের কাছে একটা সরল যুক্তি ছিল— আমি ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস লিখছি ঠিক আছে, কিন্তু লিখতে বসেছি ২০০০ সালে। যুদ্ধপরবর্তী এ ৩০ বছরের স্মৃতি কী করে বাতিল হবে, যেখানে মানুষগুলো এখনো চরম ভুক্তভোগী! সত্যি বলতে— চোরাবালির তলদেশের জলস্রোতের মতো তাদের উৎপীড়িত হওয়ার ক্ষরণ আমরা খালি চোখে দেখি বা না-দেখি, তা আমৃত্যু বইতেই থাকে। আমি চাইছিলাম, সেটা তালাশর পাতায় উঠে আসুক।

তাছাড়া তালাশ আসলে খোঁজাখুঁজি— জনপদে, জনপদের বাইরে, ব্যাঙ্কারে, স্মৃতিতে, বিস্মৃতিতে। বীরাঙ্গনারা যেন শুধু সংখ্যায় বন্দি না থাকেন।

স্মৃতির সময়ের অভিব্যক্তি— আমার মনে হয় তালাশ উপন্যাসের বিষয়ই দাবি করছিল। স্মৃতি ও রাজনীতির মোলাকাত জরুরি ছিল। জরুরি ছিল যুদ্ধের ইতিহাসের বাঁধা-ধরা ছক ভেঙে দিয়ে এর বিস্তার ঘটানো। না হলে অনেক নিগ্রহের কাহিনিই বাদ পড়ে যায়, খারিজ হয়ে যায়। ইতিহাসের এ ইচ্ছাকৃত ভুলটুকু সাহিত্য ধরিয়ে দিতে পারে। ফাঁকগুলো পূরণ করতে পারে।

তালাশ লিখতে গিয়ে আপনি ইতিহাস, চরিত্র, কাহিনি— কোনটায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিলেন?

Shaheen Akhtar
শাহীন আখতার

শাহীন আখতার: এ তিনটির মধ্যে মনে হয় ইতিহাসের ভূমিকা তালাশএ সবচেয়ে গৌণ। কাহিনির প্রয়োজনে চরিত্ররা এসেছে। আবার উল্টোটাও হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রমিজ শেখের ভূমিকা কী? একটা ছাড়পোকা! কিন্তু, আমার বিশ্বাস তালাশর পাঠক রমিজ শেখকে ভুলবে না।

উপন্যাসে অনেক কুশীলব, অনেক চরিত্র। তার মধ্যে মেয়েদের নিয়ে কারো কারো পশ্চাদমুখি চিন্তা-চেতনাও রয়েছে। আপনি লেখকের অভিপ্রায় চরিত্রগুলোর বিচিত্র ভাবনা-মতামতের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য আনছিলেন? বিশেষ করে, মেয়ে চরিত্রগুলোর অবজেক্টিফিকেশনের ব্যাপারে?

শাহীন আখতার: তালাশ উপন্যাসে অনেক কণ্ঠ, অনেক স্বর। সংবেদনশীল, অসংবেদনশীল লোকজনে ভরপুর। আমাদের চারপাশে আমরা যেমন দেখতে পাই। ধর্ষণের শিকার নারী বা বীরাঙ্গনাদের নিয়ে সবারই কিছু না কিছু বলার আছে। কখনো কখনো একজন আরেকজনের বক্তব্য খণ্ডন করেন। উপন্যাসের মূল চরিত্র মরিয়ম উষ্মা প্রকাশ করেছে বেশি। সে পোড় খাওয়া মানুষ। এমনকি, মুক্তির গবেষণার উদ্দেশ্যের ব্যাপারেও সন্দিহান। শেষমেশ মুক্তিকে অকুল পাথারে ফেলে নিরুদ্দিষ্ট হয়ে যায়। উপন্যাসে অবজেক্টিফিকেশনের বিরুদ্ধে সব চেয়ে বেশি সোচ্চার সম্ভবত মরিয়ম। কাজটা লেখকের অবচেতনে হয়ে থাকলেও মরিয়ম লেখকের আকাঙ্খারই ধারক নিঃসন্দেহে।

সচেতন প্রয়াসের কথাও পুরোপুরি বাদ দেওয়া ঠিক হবে না। যেমন: উপন্যাসের ‘নির্যাতিতের কনফারেন্স’ অধ্যায়। ওখানে নির্যাতিতেরা নিজেরাও নিজেদের ছাড় দিচ্ছে না। তিরবিদ্ধ করছে। আমার মনে হয়, এটা একটা বোঝাপড়া— লেখকের সঙ্গে তার চরিত্রগুলির।

এটা একটা অসাধারণ ব্যাপার যে, তালাশ উপন্যাসে যুদ্ধকালীন যৌনসহিংসতা, পুরুষতন্ত্র, সংঘাতময় সময়— নারী চরিত্র অবজেক্টিফাই না করেই সামাল দেওয়া হয়েছে। কীভাবে একজন লেখক পরিস্থিতিতে নারী চরিত্রটিকে অবজেক্টিফাই হওয়া থেকে দূরে রাখেন?

শাহীন আখতার: তার জন্য সচেতনতা, সংবেদনশীলতা মনে হয় জরুরি। কাজটা আসলেই চ্যালেঞ্জিং— বিশেষ করে তোমার গল্প বা উপন্যাসের চরিত্রটি যখন ধর্ষণের শিকার নারী এবং তুমি যখন তার অবস্থাটা পাঠকের চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে চাও এবং সমাজের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াও আনতে চাও তোমার গল্প-উপন্যাসে। তালাশ সে পরীক্ষায় উৎরে গেছে— এটা শুনতে পাওয়া বেশ স্বস্তির।

মেটাফোর বা রূপকের বিশাল ভূমিকা উপন্যাসে। প্রায় বাক্যান্তরেই আমরা এর দেখা পাই। ট্রমা বা নির্যাতন ফুটিয়ে তুলতে রূপকের ভূমিকা কতখানি?

শাহীন আখতার: আসলেই তালাশএ অনেক বেশি রূপক বা মেটাফোর! রূপকের আশ্রয় না নিয়েও সাহিত্যে ট্রমা বা নির্যাতন তুলে ধরা যায়— এমন অনেক উদাহরণ নিশ্চয় আছে। তবে তালাশ-এ সরাসরি ভায়োলেন্স না দেখিয়ে যুদ্ধের বিভীষিকাময় স্মৃতি জাগিয়ে তুলতে তা সহায়ক হয়েছে। সহায়ক হয়েছে কখনো আলো-আঁধারি দৃশ্য রচনায়, কখনো-বা বাড়তি একটা অর্থ দিতে, যা কখনো কখনো বাস্তবতাকে ছাপিয়ে যায়। কখনো-বা দূর অতীতের স্বাধীনতা সংগ্রামীর সঙ্গে সংলাপে রত হতে সাহায্য করেছে। তালাশর শেষ অধ্যায়টা আগাগোড়া মেটাফোরিক। আমাকে যদি তালাশ একাধিকবার লিখতে বলা হয়, আমি শেষ অধ্যায়টা এভাবেই লিখব।

যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, নতুন প্রজন্ম— তালাশ মনে হয় তাদের জন্য লেখা হয়েছে। আমি বইটা পড়তে পড়তে নিজেকে ভেবেছি মুক্তি। এটা কি ইচ্ছাকৃত?

শাহীন আখতার: কী আশ্চর্য! আমি যখন তালাশ লিখি, নিজেকে মুক্তি ভাবছিলাম। আজকের তরুণ পাঠক নিজেকে মুক্তি ভাবছে— সত্যি অবিশ্বাস্য!

তালাশ-এ এত ঘটনা, এত চরিত্র। আমার একজন সূত্রধরের প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজনটা অনুভূত হয় উপন্যাসের সেকেন্ড ড্রাফটে। তখন দেখতাম, যারা বীরাঙ্গনাদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন— তারা নিজেদের ট্রমার কথা খুব লিখতেন। তাদের সাক্ষাৎকার পড়ে কখনো কখনো মনে হতো— রেইপ সারভাইভারের ট্রমার চেয়েও তাদের ট্রমা বেশি। আমি তখন ঠিক করলাম— মুক্তিকে এ রকম আশকারা দেওয়া যাবে না। সে বিনিদ্র রাত কাটালেও তার দুঃখ-কষ্ট কখনো ভুক্তভোগীর দুঃখ-কষ্টকে ছাপিয়ে যেতে পারে না। সে গল্পের প্রয়োজনে আসবে, আবার চলে যাবে। আড়ালেই থাকবে বেশির ভাগ সময়।

এক কথায় তাকে দূরে দূরে রাখছিলাম। তাই হয়তো অস্পষ্ট অবয়ব সত্ত্বেও সে দূরবর্তী সময়ের, মুক্তিযুদ্ধ না-দেখা আজকের পাঠকের আয়নায় নিজেকে ধরা দিচ্ছে। ৭১-এ জন্ম হলেও মুক্তির কোনো স্মৃতি নেই মুক্তিযুদ্ধের— এটা সম্ভবত আরেকটা কারণ আজকের তরুণ পাঠকদের সঙ্গে তার আত্মিক সংযোগের।

এখন কোন লেখকের বই বা কী বই পড়ছেন?

শাহীন আখতার:  কিছু সময় ধরে লেখকের চেয়ে ‘বিষয়’ আমার কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে বেশি। বিষয় দেখে হাতে বই তুলে নিই। বরাবরই বইয়ের পোকা আমি। লেখার চেয়ে পড়ায় সময় যায় বেশি। তাছাড়া ক্রাইসিসে, বা শোক-সন্তাপে বার বার বইয়ের কাছে ফিরে যাই। উপশম খুঁজি। এবারে কবি আল-খানসা হঠাৎ আমার ভুবনে উদয় হলেন। প্রাক-ইসলামী যুগের গোত্রীয় হানাহানিতে প্রাণ হারান তার যুগল ভাই। সেই শোকে খানসা লিখে গেছেন শোকগীতি মর্সিয়া (কাসিদা)— ভাই হারানোর বেদনার অশ্রুমালা।

সম্প্রতি, ক্যানসারে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু— আমার কাছে কোনো সান্ত্বনা নেই। তবু কবিতা দিয়ে তিনি যে নিভৃতে অশ্রু ঝরান, ভালোবাসায় সিক্ত করেন, তার জন্য কবি আল-খানসা আমার কাছে আপন হয়ে থাকবেন।

Comments

The Daily Star  | English

Boi Mela extended by 2 days

The duration of this year's Amar Ekushey Book Fair has been extended by two days

1h ago