লটারিতে মাশরাফিকে পেল মাহমুদউল্লাহ-সাকিবের খুলনা

সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের হয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে খেলবেন এই অভিজ্ঞ পেসার।
mashrafe mortaza
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

ফিটনেস পরীক্ষায় সফলভাবে উতরে গিয়েছিলেন। অপেক্ষা ছিল দল পাওয়ার। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে পেতে আগ্রহী ছিল চারটি দল। শেষ পর্যন্ত লটারিতে জয় হয়েছে জেমকন খুলনার। সাকিব আল হাসান-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের হয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে খেলবেন অভিজ্ঞ পেসার মাশরাফি।

রবিবার বিসিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় লটারি। ফরচুন বরিশাল, জেমকন খুলনা ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী মাশরাফিকে দলে পেতে আগেই আবেদন করেছিল। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বেক্সিমকো ঢাকাও। লটারিতে খুলনার নাম সংবলিত টোকেন তোলেন বিসিবি পরিচালক ও টুর্নামেন্টের টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য জালাল ইউনুস।

মাশরাফিকে দলে পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় খুলনার স্পন্সর জেমকন স্পোর্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা খুবই রোমাঞ্চিত ও আনন্দিত। মাশরাফি এর আগে বিপিএলেও খুলনার কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলেননি। তো এটা আমাদের জন্য বিশাল পাওয়া। কারণ, মাশরাফি খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলার (সন্তান)।’

‘মাশরাফি সবসময়ই বড় আকারের প্রভাব বিস্তারকারী একজন খেলোয়াড়। তাই আমি মনে করি, দলের বাকিদের জন্য এটি খুবই অনুপ্রেরণামূলক ব্যাপার হবে। আশা করি, প্রতিযোগিতার বাকি অংশে তিনি খুব ভালো খেলবেন এবং আমাদের দলও তার অনুপ্রেরণায় খুব ভালো করতে পারবে।’

এর আগে সকালে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোরে ফিটনেস পরীক্ষা হয় মাশরাফির। পরে বিসিবির ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদার নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়কের উতরে যাওয়ার বিষয়টি।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল মাশরাফিকে। চোটে পড়া কারো বদলি হিসেবে বা বিশেষ ব্যবস্থায় সরাসরি যেকোনো দলে তার খেলার সুযোগ অবারিত রেখেছিল বিসিবি। আসর শুরুর আগে জানানো হয়েছিল, টি-টোয়েন্টি কাপ চলাকালে একাধিক দল মাশরাফিকে পেতে আগ্রহী হলে করা হবে লটারি।

গত মঙ্গলবার প্রায় সাড়ে আট মাস পর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের চেনা আঙিনায় পা রাখেন মাশরাফি। জৈব সুরক্ষা বলয়ের নিয়ম মেনে করেন অনুশীলন। ঘণ্টাখানেকের উপস্থিতিতে রানিং করে মাঝের উইকেটে বল করেন তিনি। তাকে মাঠে ফিরতে দেখেই দলগুলোর মধ্যে তৈরি হয় আগ্রহ।

Comments

The Daily Star  | English

How helicopters took Dhaka’s denizens to the skies

AK Azad, chairman and chief executive officer of Ha-Meem Group and a member of parliament from Faridpur-3 constituency, used to visit his factories in his car once or twice a month around a year ago.

14h ago