জাপানে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবি

জাপানে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টোকিও এবং তিন প্রদেশের গভর্নর কেন্দ্রীয় সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন।
JAPAN.jpg
ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে মুখে মাস্ক পরে টোকিওর রাস্তায় হাঁটছেন তিন তরুণী। ছবি: রয়টার্স

জাপানে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টোকিও এবং তিন প্রদেশের গভর্নর কেন্দ্রীয় সরকারকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ শনিবার সায়তামা, চিবা এবং কানাগাও প্রদেশের গভর্নররা এ অনুরোধ জানাতে টোকিওতে এক বৈঠকে যোগ দেন। জাপানের সংবাদ মাধ্যম দ্য জাপান টাইমস বিষয়টি জানায়।

বৈঠকের পর জাপানে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা সাংবাদিকদের বলেন, নতুন ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

নিশিমুরা বলেন, ‘জাতীয় সরকার এবং তিন গভর্নর দাবি করেছেন, টোকিও এলাকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে। এ কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রয়োজন হতে পারে।’

তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন উদ্যোগ হিসেবে টোকিও এলাকার রেস্টুরেন্ট রাত ৮টায় বন্ধ করতে বলা হবে। অন্যদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠান অ্যালকোহলের ব্যবসা তাদের সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধ করতে হবে।

গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে কোভিড-১৯ সতর্কতা স্তরকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেছে টোকিও। ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীতে ১ হাজার ৩৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়। যা একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। আজ টোকিওতে ৮১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর পুরো জাপানে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল চার হাজার ৫২০।

টোকিওর সেন্ট লুকস ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের ইনফেকশন কন্ট্রোল ম্যানেজার ফুমি সাকামোতো বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।’

সাকামোতো বলেন, ‘জাপানি সরকার এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তেমন কিছু করেনি। আমার আশঙ্কা আগামী দিনগুলোতে সংক্রমণ আরও বাড়বে। জরুরি ঘোষণা আরও আগেই আসা উচিত ছিল, সম্ভবত ডিসেম্বর বা নভেম্বরে।’

Comments

The Daily Star  | English

Fewer but fiercer since the 90s

Though Bangladesh is experiencing fewer cyclones than in the 1960s, their intensity has increased, a recent study has found.

5h ago