শীর্ষ খবর

দাগনভূঁঞা: সব প্রস্তুতি শেষ, কাল ভোট গ্রহণ

ফেনীর দাগনভূঁঞা পৌরসভা নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন। নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে। আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

ফেনীর দাগনভূঁঞা পৌরসভা নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন। নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে। আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।

দাগনভূঁঞা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে চার জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের ওমর ফারুক খান, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের কাজী সাইফুর রহমান, দাগনভূঁঞা পৌর জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের বিনোধ বিহারী ভৌমিক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তারেক আজিজ খানের প্রতীক মুঠোফোন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন পাটওয়ারী জানান, দাগনভূঁঞা পৌরসভায় মোট ভোটর ২৫ হাজার ৭২ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৫৬৬ জন ও নারী ভোটার ১২ হাজার ৫০৬ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১৩টি, বুথ ৭৩টি। এর মধ্যে ৩টি ভোটকেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা পোলিং কর্মকর্তার পাশাপাশি একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ৯ জন পুলিশ কনস্টেবল ও আনসার থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১১ জন পুলিশ কনস্টেবল ও আনসার থাকবেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির একজন মেজরের নেতৃত্বে একটি স্টাইকিং টিম থাকবে। টহলে থাকবে র‌্যাবের চারটি টিম।’

এই নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএম যন্ত্র এবং ভোট গ্রহণের আনুষঙ্গিক সবকিছু পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে।

Comments

The Daily Star  | English

Pm’s India Visit: Dhaka eyes fresh loans from Delhi

India may offer Bangladesh fresh loans under a new framework, as implementation of the projects under the existing loan programme is proving difficult due to some strict loan conditions.

20m ago