মুজিববর্ষে ঘর পেল ৬৬ হাজার গৃহহীন পরিবার

‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ঘর সরবরাহের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সারা দেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘর বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
Muzibborsho_House_23Jan21.jpg
ছবি: ইউএনবি

‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ঘর সরবরাহের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সারা দেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘর বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মসূচিতে যোগ দেন।

গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য এক হাজার ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি খাস জমিতে ৬৬ হাজার ১৮৯টি বাড়ি নির্মাণ করেছে সরকার। বাড়িগুলোর প্রতিটি ইউনিটে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট এবং বারান্দা রয়েছে। বাড়ির পাশাপাশি তাদের বাড়ির জমির মালিকানার দলিলও হস্তান্তর করা হয়েছে।

আগামী মাসে দরিদ্রদের মধ্যে আরও এক লাখ বাড়ি হস্তান্তর করা হবে। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ২১ জেলার ৩৬ উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পের আওতায় ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণ করে তিন হাজার ৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হবে।

গত বছর আট লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। এর মধ্যে দুই লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি পরিবার ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি পরিবারের এক থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু আবাসন ব্যবস্থা নেই।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৯৯৭ থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তিন লাখ ২০ হাজার ৫৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় চার হাজার ৮৪০ দশমিক ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই লাখ ৫০ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন ও বাস্তুচ্যুত পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্য রয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে এক লাখ ৯২ হাজার ২৭৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English
Temperature rise in Dhaka last 30 years

An April way hotter than 30-year average

Over the last seven days, temperatures in the capital and other heatwave-affected places have been consistently four to five degrees Celsius higher than the corresponding seven days in the last 30 years, according to Met department data.

10h ago