ভারত থেকে আসা ভ্যাকসিনের লট রিলিজ সার্টিফিকেট দিলো ঔষধ প্রশাসন

ভারত থেকে আসা করোনা ভ্যাকসিনের লট রিলিজ সার্টিফিকেট দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ছবি: রয়টার্স

ভারত থেকে আসা করোনা ভ্যাকসিনের লট রিলিজ সার্টিফিকেট দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, তিনটি লটে আমাদের পাঁচ লাখ ভায়েল এসেছে। ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন এখনে রয়েছে। এই ৫০ লাখ ডোজের লট রিলিজের সার্টিফিকেট আজ আমরা দিয়েছি। এগুলো এখন ব্যবহার করা যাবে। এর পরবর্তী সময়ে আরও যে ২০ লাখ ডোজ এসেছে, সেটির নথিপত্র জমা হলে আমরা লট রিলিজের সার্টিফিকেট ইস্যু করে দেবো। আমাদের তিন জন এক্সপার্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) স্বীকৃত পদ্ধতিতে ল্যাবরেটরিতে বসে সায়েন্টিফিক যে অ্যানালাসিস, সেগুলো করছেন।

মাহবুবুর রহমান আরও বলেন, বেক্সিমকো যে ভ্যাকসিনগুলো এনেছে, সেগুলো মানবদেহে ব্যবহারের উপযুক্ত। ভারতে যে ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি সেন্ট্রাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে (সিআরআই) সমস্ত টেস্ট করা হয়েছে। তার পরে তারা লট রিলিজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন। সেখানে যে বিভিন্ন টেস্টগুলো করা হয়েছে, আমরা সেগুলো মিলিয়ে দেখেছি ঠিক আছে কি না। সার্বিকভাবে সমস্ত প্যারামিটার আমরা সঠিক পেয়েছি।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভ্যাকসিন ‘কোভিশিল্ড’ নামে উৎপাদন করছে। দেশীয় প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে সেই ভ্যাকসিনেরই তিন কোটি ডোজ কিনেছে বাংলাদেশ। গতকাল প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছে।

এর আগে, উপহার হিসেবে ভারত থেকে ২০ লাখ ডোজ ‘কোভিশিল্ড’ ভ্যাকসিন পেয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের একজন নার্সকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:

ঢাকায় পৌঁছাল ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন

ভ্যাকসিন নিয়ে দ্বিধা ও বিতর্ক কেন?

২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন ঢাকায়

র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমোদন দিলো সরকার

২৭ জানুয়ারি করোনার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Comments

The Daily Star  | English

Fewer but fiercer since the 90s

Though Bangladesh is experiencing fewer cyclones than in the 1960s, their intensity has increased, a recent study has found.

4h ago