শীর্ষ খবর

ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিহত আশিকের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের তাণ্ডব চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আশিকের (২৪) মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে।
নিহত আশিক। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের তাণ্ডব চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আশিকের (২৪) মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জানাজা শেষে শহরের উত্তর মৌড়াইল গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন বলেন, ‘ময়নাতদন্ত ছাড়াই হাসপাতাল থেকে মরদেহটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা তা পুলিশকে জানিয়েছি।’

জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তার পেটের ডানদিকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জানা যায়, শহরের কাউতলী এলাকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হামলার সময় গুলিবিদ্ধ হন আশিক। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তার মরদেহ নিয়ে মিছিল করতে করতে জেলা সদর হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।

আশিকের বাবা শহরের দাতিয়ারার বাসিন্দা রিক্সাচালক সাগর মিয়া বলেন, ‘প্রথমে আমার ছেলের মরদেহ মাদ্রাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারা মরদেহ নিয়ে মিছিল করতে চেয়ে ছিল। পরে দিয়ে দেয়। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে আমরা কান্দিপাড়ায় চলে যাই। আশিকের দাদা-দাদীকে তার মৃতদেহ দেখিয়ে জানাজা শেষে দাফন করি।’

সাগর মিয়ার তিন সন্তানের মধ্যে আশিক মেঝ। তিনি গাড়ির ইঞ্জিন মেকানিক হিসেবে একটি ওয়ার্কশপে কাজ করতেন।

সাগর মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলে কাজ থেকে ফিরছিল। রিকশায় করে ফেরার সময় এসপি অফিস এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সে মাটিতে পড়ে যায়। হুজুররা আমার ছেলের মরদেহের ময়নাতদন্ত করতে দেয়নি।’

মামলা করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মামলা করব না। মামলা করে কী হবে?’

Comments