ওয়েস্ট ইন্ডিজ-শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ

ব্র্যাথওয়েটের সেঞ্চুরির পর সমান তালে লড়াই

অ্যান্টিগায় দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৭ উইকেট নিয়ে ২১৮ রান পেছনে আছে শ্রীলঙ্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৪ রানের জবাবে দিনশেষে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৬ রান। ৩৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন দীনেশ চান্দিমাল, ২৩ রানে আছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা।
dinesh chandimal
ছবি: আইসিসি টুইট

সেঞ্চুরি থেকে কেবলে এক রান দূরে ছিলেন। সেটা তুলতে দেরি হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের। ফিফটির অপেক্ষায় থাকা রাহকিম কর্নওয়ালও তা তুলে এগুতে থাকেন অনেকটা। শেষ পর্যন্ত সাড়ে তিনশো ছাড়ায় স্বাগতিকদের পুঁজি। জবাব দিতে নেমে শক্তভাবে ছুটছে শ্রীলঙ্কাও।

অ্যান্টিগায় দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৭ উইকেট নিয়ে ২১৮ রান পেছনে আছে শ্রীলঙ্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৪ রানের জবাবে দিনশেষে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৬ রান। ৩৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন দীনেশ চান্দিমাল, ২৩ রানে আছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা।

আগের দিনের ৭ উইকেটে ২৮৭ রান নিয়ে নেমে রাহকিম-ব্র্যাথওয়েট জুটি এদিন যোগ করে আরও ৩৮ রান। দারুণ খেলতে থাকা রাহকিম ফিফটি পেরিয়ে আভাস দিচ্ছিলেন সেঞ্চুরির। তবে পুরো ইনিংসের বিপরীত ধর্মী এক শটে ৭৩ রানে কাটা পড়েন তিনি। এতে ভাঙ্গে ৮ম উইকেটে ১০৩ রানের জুটি।

এরপর আর বেশিদূর এগুতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। টেল এন্ডারদের দলকে সাড়ে তিনশো পার করান ব্র্যাথওয়েট। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে দুশমন্ত চামিরার বলে ১২৬ রান করে বোল্ড হয়েছেন তিনি। ৩১১ বলের ইনিংসে ব্র্যাথওয়েট ক্রিজে ছিলেন ৫১৪ মিনিট। ২৮ ওভার বল করে ৯৪ রানে ৪ উইকেট নেন সুরাঙ্গা লাকমাল। চামিরা ৬৯ রানে ৩ উইকেট।

জবাবে নবম ওভারেই অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নের উইকেট হারায় সফরকারীরা। আলজেরি জোসেফের বলে এনক্রুমা বনারের হাতে মাত্র ১ রান করে ধরা পড়েন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে ওসাদা ফার্নেন্দোকে নিয়ে জুটি পান লাহিরু থিরিমান্নে। ৪৬ রানের জুটির পর থিতু হওয়া ওসাদা ফেরেন ১৮ রান করে। ফিফটি তুলে নিয়ে কেমার রোচের বলে বোল্ড হয়ে যান থিরিমান্নেও।

এরপর আর বিপদ বাড়াতে দেননি চান্দিমাল- ধনঞ্জয়া। চতুর্থ উইকেটে দুজনে তুলেছেন ৫৯ রান। তৃতীয় দিনে তাদের ব্যাটের দিকেই বড় কিছুর আশায় থাকবে শ্রীলঙ্কা।

Comments

The Daily Star  | English
wage workers cost-of-living crisis

The cost-of-living crisis prolongs for wage workers

The cost-of-living crisis in Bangladesh appears to have caused more trouble for daily workers as their wage growth has been lower than the inflation rate for more than two years.

1h ago