ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুরে বন্যা-ভূমিধসে শতাধিক নিহত

ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুরে বন্যা এবং ভূমিধসের কারণে কমপক্ষে ১০১ জন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ছবি: রয়টার্স

ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুরে বন্যা এবং ভূমিধসের কারণে কমপক্ষে ১০১ জন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিসি জানায়, ইন্দোনেশিয়ায় এখনো কয়েক ডজন নিখোঁজ আছেন এবং ৮০ জন মারা গেছেন। দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। 

পূর্ব তিমুরে কমপক্ষে ২১ জন মারা গেছেন বলে দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি

অন্যদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুরে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সেরোজায় সৃষ্ট বন্যা এবং ভূমিধ্বসের ঘটনায় এখনো অনেকে নিখোঁজ আছেন এবং এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

দুর্যোগ সংস্থা বিএনপিবি রয়টার্সকে জানিয়েছে, সপ্তাহ শেষে ভারি বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধ্বস এবং শক্তিশালী বাতাসের কারণে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম ও পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের বেশ কয়েকটি দ্বীপে অন্তত ৭০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, আরও ৭০ জন নিখোঁজ আছেন।

পূর্ব তিমুরে ভূমিধ্বস, আকস্মিক বন্যা এবং একটি গাছ পড়ে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং সাত হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

ল্যাম্বটা জেলা সরকারের উপ-প্রধান টমাস ওলা ল্যাঙ্গোডে ফোনে রয়টার্সকে বলেন, ‘সমুদ্রে মরদেহ খুঁজতে আমরা রাবার বোট ব্যবহার করছি। বেশ কয়েকটি গ্রামে আকস্মিক বন্যা আঘাত হেনেছে।’

বিএনপিবির মুখপাত্র রাদিত্য জাতি রয়টার্সকে জানান, ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু, পাঁচটি সেতু ভেঙে পড়ায় উদ্ধার কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংস্থাটি জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টির তীব্রতা বেড়ে আরও শক্তিশালী হতে পারে। ফলে অতিরিক্ত বৃষ্টি, ঢেউ এবং দ্রুত গতিতে বাতাস বয়ে যেতে পারে। তবে, এটি ইন্দোনেশিয়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।

Comments