সৌদিগামী বাংলাদেশিদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হোটেল বুকিংয়ের আহ্বান

ঝামেলা এড়াতে সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি কর্মীদের কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হোটেল বুকিংয়ের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে সৌদি এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার তারিক এ আলওয়াইদি।
তারিক এ আলওয়াইদি

ঝামেলা এড়াতে সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি কর্মীদের কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হোটেল বুকিংয়ের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে সৌদি এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার তারিক এ আলওয়াইদি।

আজ মঙ্গলবার দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে সৌদি আরবে হোটেল বুকিংয়ের জন্য ঢাকায় তাদের অফিসের সামনে জড়ো না হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি জানান, যদি কোনো বাংলাদেশি যাত্রী ফ্লাইট মিস করেন বা বিভিন্ন কারণে তাদের ফ্লাইটের তারিখ পরিবর্তনের দরকার হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশি ‘ভাইবোনদের’ কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়া নতুন টিকিট সরবরাহ করবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্স। আর, যারা ফ্লাইট মিস করেছেন তাদের অন্য ফ্লাইটে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ফ্লাইট ছেড়ে যাওয়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে তাদের কোয়ারেন্টিনে থাকার হোটেল ঠিক করতে তিনি সৌদি আরবগামী যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

হোটেল বুকিংয়ের জন্য সৌদিয়া হলিডেজ ওয়েবসাইটের এই লিঙ্কে https://holidaysbysaudia.com যেতে বলা হয়েছে।

এছাড়া সৌদি আরবগামী যাত্রীদের হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে তাদের নিয়োগকারী, কাফিল, কোম্পানি, সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সি অথবা ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। 

সৌদি আরবে প্রবেশের প্রথম শর্ত অনুযায়ী কোয়ারেন্টিন প্যাকেজ রিজার্ভেশন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সৌদিয়া হলিডেইস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বুকিং ছাড়া কোনো হোটেল বুকিং গ্রহণ করা হবে না।’

তিনি জানান, প্লেন টিকিট ও কোয়ারেন্টিন হোটেল প্যাকেজ নিশ্চিত করা ছাড়াও যাত্রীদের ফ্লাইট ছাড়ার আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা করোনাভাইরাসের পিসিআর টেস্টের রিপোর্ট দেখাতে হবে।

Comments

The Daily Star  | English
irregular migration routes to Europe from Bangladesh

To Europe via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

23h ago