অলিম্পিক থেকে এবার বিদায় নিলেন জহিরও

টোকিও অলিম্পিকে এবার বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছিলেন ছয় জন প্রতিযোগী। এরইমধ্যে বিদায় নিয়েছেন পাঁচ জন। শেষ ভরসা হয়ে ছিলেন জহির রায়হান। রোববার সে আশাও শেষ হয়ে গেল। এবার বিদায় নিলেন বাংলাদেশের এ স্প্রিন্টার। পুরুষদের ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে হিট থেকেই বিদায় নিয়েছেন এ তরুণ।
ফাইল ছবি

টোকিও অলিম্পিকে এবার বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছিলেন ছয় জন প্রতিযোগী। এরইমধ্যে বিদায় নিয়েছেন পাঁচ জন। শেষ ভরসা হয়ে ছিলেন জহির রায়হান। রোববার সে আশাও শেষ হয়ে গেল। এবার বিদায় নিলেন বাংলাদেশের এ স্প্রিন্টার। পুরুষদের ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে হিট থেকেই বিদায় নিয়েছেন এ তরুণ।

এদিন টোকিও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ট্র্যাক ১ এর ৩ নম্বর হিটে আট প্রতিযোগীর মধ্যে অষ্টম হয়েই বিদায় নিয়েছেন। ৪৮.২৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে রেস শেষ করেন তিনি। নিজের ব্যক্তিগত সেরা টাইমিংও স্পর্শ করতে পারেননি এ অ্যাথলেট।   

৪০০ মিটার স্প্রিন্টে পুরুষদের বিভাগের হিট-৩ এ জহিরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেরি মাইকেল, স্লোভাকিয়ার জেনেজিচ লুকা, কঙ্গোর আফৌম্বা গিলিস অ্যান্থনি, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সেইন্ট হিলারি ডুইট, জ্যামাইকার টেইলর ক্রিস্টোফার, ব্রাজিলের কারভালহো লুকাস ও বারমুডার জোন্স জনাথন। সেমি-ফাইনালে যেতে হলে এদের মধ্যে তৃতীয় হতে হতো তাকে। এছাড়াও সুযোগ ছিল। বাকিদের মধ্যে সেরা টাইমিং ধারী ৬ জন যেতেন পরের রাউন্ডে। কিন্তু কোনো ভাবেই সুযোগ মিলেনি জহিরের।

কাজটা অবশ্য কঠিনই ছিল জহিরের জন্য। কারণ সাত প্রতিদ্বন্দ্বীর সবাই অবস্থান করছেন বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ের ১০০ এর মধ্যে। যেখানে জহিরের অবস্থান ৯৫৪তম। পাঁচজন সেরা পঞ্চাশে। এদের মধ্যে সেরা দশের মধ্যেও আছেন একজন (চেরি)। সবারই সেরা টাইমিং ৪৬ সেকেন্ডের কম। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ২০১৭ সালে নাইরোবিতে ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপে ৪৮.২২ সেকেন্ডই জহিরের সেরা। তবে ঘরোয়া পর্যায়ে তার সেরা টাইমিং ৪৭.৩৪ সেকেন্ড। তবে প্রত্যাশা ছিল অন্তত নিজের ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং করে ফিরবেন অ্যাথলেট। কিন্তু হতাশ করেছেন তিনি।

অলিম্পিকে এবার বাংলাদেশের সব আশা ছিল আর্চারিকে ঘিরে। সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। যদিও লড়াই করেই হেরেছেন দুই আর্চার রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী। এর আগে শুটিংয়ের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে আব্দুল্লাহ হেল বাকিও করেছেন হতাশ। আর ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং করেও ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল সাঁতারের হিট থেকে বিদায় নেন আরিফুল ইসলাম ও জুনাইনা আহমেদ।

Comments

The Daily Star  | English
pharmaceutical industry of Bangladesh

Starting from nowhere, pharma sector becomes a lifesaver

The year 1982 was a watershed in the history of the pharmaceutical industry of Bangladesh as the government stepped in to lay the foundation for its stellar growth in the subsequent decades.

18h ago