অবশেষে প্রকাশ পেলো বিশ্বকাপের থিম সং ‘লিভ ইট আপ’

দল ঘোষণা শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপের আমেজ বইতে শুরু করেছে। কিন্তু তারপরও কোথায় যেন একটা কমতি ছিল এর। ফুটবলপ্রেমীদের উজ্জীবিত করতে থিম সং-টাই যে ছিল না। তবে দেরিতে হলেও এবারের বিশ্বকাপের থিম সং ‘লিভ ইট আপ’ প্রকাশ পেয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও প্রকাশ করেনি ফিফা। তবে এর অন্যতম গায়ক নিকি জ্যাম তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে গানটি।
Theme Song

দল ঘোষণা শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপের আমেজ বইতে শুরু করেছে। কিন্তু তারপরও কোথায় যেন একটা কমতি ছিল এর। ফুটবলপ্রেমীদের উজ্জীবিত করতে থিম সং-টাই যে ছিল না। তবে দেরিতে হলেও এবারের বিশ্বকাপের থিম সং ‘লিভ ইট আপ’ প্রকাশ পেয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও প্রকাশ করেনি ফিফা। তবে এর অন্যতম গায়ক নিকি জ্যাম তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে গানটি।

দুদিন আগেই ফিফা তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানায়, এবারের অফিশিয়াল থিম সং গাইবেন হলিউড অভিনেতা ও গায়ক উইল স্মিথ, নিকি জ্যাম এবং কসোভোর নাগরিক ইরা ইজত্রেফাই। হয়েছেও তাই। এর মিউজিক দিয়েছেন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিজে এবং গীতিকার ডিপলো। তবে মিউজিক ভিডিও পাওয়া যাবে আগামী ৭ জুন থেকে। আর ১৫ জুলাই রাশিয়ার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের সমাপনি অনুষ্ঠানে থিম সংটি পরিবেশন করবেন তিন শিল্পী।

১৯৬২ সালে চিলি বিশ্বকাপ দিয়ে অফিশিয়াল থিম সংয়ের প্রচলন করে ফিফা। স্প্যানিশ ভাষায় গাওয়া ‘এল রক দি মুন্দিয়াল’ গানটি সে বছর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তখন থেকেই প্রতি বিশ্বকাপে একটি থিম সং প্রকাশ করে সংস্থাটি। শুধু তাই নয় অনেকে আবার অনানুষ্ঠানিকভাবেও বের করেন থিম সং। বিশেষ করে বেভারেজ কোম্পানি কোকাকোলাও থিম সং প্রকাশ করে বিশ্বকাপ উপলক্ষে।

১৯৯৮ সালে কোকাকোলার তৈরি করা থিম সং ‘লা কোপা দি লা ভিদা’ তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। গানটি গেয়েছেন পপশিল্পী রিকি মার্টিন। সে ধারায় শাকিরারা গত তিন আসর ধরে থিম সং গেয়ে বিশ্ব মাতিয়ে রেখেছেন। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপের থিম সং ‘ওলে ওলে’ গেয়েছিলেন পিটবুল ও জেনিফার লোপেজ। এর আগের বিশ্বকাপে ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গেয়েছিলেন কলম্বিয়ান তারকা শাকিরা। গত বিশ্বকাপেও ‘লা লা লা’ শিরোনামে একটি থিম প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

7h ago