উল্লাসরত মানজুকিচদের নিচে চাপা পড়েছিলেন ফটোগ্রাফার

অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার বাকি মিনিট দশেক, অমন সময় ম্যাচে এগিয়ে যাওয়া গোল। মারিও মানজুকিচ তো বটেই, উল্লাসে ফেটে পড়েছিল গোটা ক্রোয়েশিয়া দলই। আর উল্লাসরত সেই ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলারদের নিচে আক্ষরিক অর্থেই চাপা পড়েছিলেন এক ফটোগ্রাফার।
Yuri Cortez
আলোকচিত্রী ইউরি কর্তেজকে টেনে তুলছেন রাকিটিচ, পেরিসিচরা। ছবিঃ রয়টার্স

অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়ার বাকি মিনিট দশেক, অমন সময় ম্যাচে এগিয়ে যাওয়া গোল। মারিও মানজুকিচ তো বটেই, উল্লাসে ফেটে পড়েছিল গোটা ক্রোয়েশিয়া দলই। আর উল্লাসরত সেই ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলারদের নিচে আক্ষরিক অর্থেই চাপা পড়েছিলেন এক ফটোগ্রাফার।

সাইডলাইনের ঠিক ধারেই ছবি তোলার কাজে নিযুক্ত ছিলেন বার্তা সংস্থা এএফপি’র ফটোগ্রাফার ইউরি কর্তেজ। ইভান পেরিসিচের বাড়ানো বলে গোল করেই দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুট লাগালেন মানজুকিচ। তার পেছনে ছুটে এলেন বাকি সতীর্থরাও। উল্লাসরত ক্রোয়াটরা তখন সবাই মানজুকিচের উপরে উঠে পড়েছেন। কিন্তু মানজুকিচের সাথে সাথে যে ফটোগ্রাফার কর্তেজকেও চাপা দিয়েছেন তারা, সেটি খেয়াল করেননি কেউই।

পরে যখন সবাই বুঝতে পারলেন মানজুকিচ ছাড়াও আরও একজন চাপা পড়েছেন নিচে, তখন সবাই মিলে টেনে বের করেন কর্তেজকে। এএফপি’র কাছে সেই অভিজ্ঞতা নিজেই বর্ণনা করেছেন কর্তেজ, ‘আমি তখন ক্যামেরার লেন্স বদলাচ্ছিলাম। আর ঠিক ওই মুহূর্তেই খেলোয়াড়েরা সবাই আমার দিকে ছুটে এলো। এসেই একের পর এক আমার উপরে পড়তে লাগলো সবাই!’

Yuri Cortez

অপ্রস্তুত এই অবস্থাতেও নিজের পেশাদারিত্বের কথা ভুলে যাননি কর্তেজ, ওই অবস্থায়ই ক্যামেরা তাক করে ক্লোজ শটে ছবি তুলেছেন ক্রোয়াট খেলোয়াড়দের! তখনই সবাই টের পান, মানজুকিচের পাশাপাশি নিচে চাপা পড়েছেন একজন ফটোগ্রাফারও। পরে রাকিটিচ-মানজুকিচরা  মিলে হাত ধরে টেনে বের করেন তাকে, ‘ওরা খুবই উল্লসিত ছিল। উল্লাসের এক পর্যায়ে তারা হঠাৎ করেই বুঝতে পারে, আমি ওদের নিচে চাপা পড়েছি। ওরা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল আমি ঠিকঠাক আছি কি না। একজন আমার লেন্সটা কুড়িয়ে দিলো, আরেকজন (ভিদা) এসে আমাকে একটা চুমুও খেলো।’

দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমন বিচিত্র অভিজ্ঞতাও হয়ে যাবে, এমনটা নিশ্চয়ই ভাবেননি কর্তেজ!

                         

 

 

Comments

The Daily Star  | English

Took action against 'former peon' who amassed Tk 400cr: PM

Prime Minister Sheikh Hasina said she has taken action against a former "peon" of her own house who amassed Tk 400 crore in wealth

48m ago