পরিত্যক্ত ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার শেষ টি-টোয়েন্টি

সিরিজের ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গেছে আগেই। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। কিন্তু তারপরও ম্যাচটির গুরুত্ব কম ছিল না। কারণ বিশকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল এ সিরিজের। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গিয়েছে ম্যাচটি।

সিরিজের ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গেছে আগেই। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। কিন্তু তারপরও ম্যাচটির গুরুত্ব কম ছিল না। কারণ বিশকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল এ সিরিজের। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গিয়েছে ম্যাচটি।

শুক্রবার ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি পরিত্যক্ত হয়। দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে এদিন কমিয়ে আনা হয়েছিল ম্যাচের দৈর্ঘ্য। ১২ ওভারের ম্যাচটিতে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান করে ইংল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়ায় ৩.৫ ওভারে অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে ৩০ রান তোলার পর আর খেলা সম্ভব হয়নি।

চোট কাটিয়ে এ সিরিজেই ফেরা অধিনায়ক জস বাটলার এদিনও খেলেছেন দারুণ এক ইনিংস। ৪১ বলে ১টি ছক্কা ও ৭টি চারের সাহায্যে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। প্রথম ম্যাচে খেলেছিলেন ৬৮ রানের ইনিংস। পেয়েছেন সিরিজে সেরার পুরস্কার।

দলীয় ৭ রানে ওপেনার আলেক্স হেলসকে হারানোর পর ডেভিড মালানের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি গড়েন বাটলার। এরপর বেন স্টোকসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৪৯ রানের জুটিতে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন ইংলিশ অধিনায়ক।

সপ্তম ওভারে প্রথম হানা দেয় বৃষ্টি। ৪৫ মিনিট অপেক্ষার পর খেলা শুরু হলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমানো হয় ১৭ ওভারে। এরপর দশম ওভারে আবার বৃষ্টি। আধা ঘণ্টা পর খেলা শুরু হবে এবার ম্যাচের পরিধি নির্ধারণ হয় ১২ ওভারে।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ক্রিস ওকসের তোপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ১৭ রানেই হারিয়ে ফেলে তিনটি উইকেট। তিনটি উইকেটই নেন ওকস। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ও মিচেল মার্শকে খুলতে দেননি রানের খাতাই। তবে মার্কাস স্টয়নিসকে নিয়ে ১৩ রানের জুটি গড়ে দলকে গিয়ে যাচ্ছিলেন স্টিভ স্মিথ।

চতুর্থ ওভারে তৃতীয় দফায় ফের বৃষ্টি নামলে আর খেলা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় ম্যাচটিকে।

Comments

The Daily Star  | English