আবাহনীকে প্রথম হারের স্বাদ দিলেন তাওহিদ হৃদয়

টানা আট ম্যাচ জয়ের পর অবশেষে হেরেছে আবাহনী লিমিটেড।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে এবার যেন উড়ছিল আবাহনী লিমিটেড। প্রথম আট ম্যাচেই টানা আট জয়। তবে অবশেষে তাদের মাটিতে নামিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ও অভিজ্ঞ তাইবুর রহমানের ব্যাটে আবাহনীকে হারের স্বাদ উপহার দেয় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আবাহনীকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ ওভারে ২৫০ রান করে আবাহনী। জবাবে ৫ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে নোঙ্গর করে নুরুল হাসান সোহানের দল।

হারলেও এখনও শীর্ষেই রয়েছে আবাহনী। ৯ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট তাদের। সমান ম্যাচে তাদের সমান পয়েন্ট শেখ জামালেরও। তবে রানরেটে পিছিয়ে দলটি। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে লিজেন্ড অব রূপগঞ্জ।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও জাকের আলী অনিকের ফিফটিতে মাঝারী পুঁজি পায় আবাহনী। মৃত্যুঞ্জয়ের শিকার হওয়ার আগে ১১৯ বলে দলের পক্ষে স্বচ্ছ ৭৯ রানের ইনিংস খেলেন জাকের। ৪৬ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৮ রান করেন নাঈম। নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ২১ রান।

শেখ জামালের পক্ষে ৩৯ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নেন আরিফ আহমেদ। মৃত্যুঞ্জয় ২টি উইকেট পেলেও ছিলেন বেশ খরুচে। ৬৯ রান দেন তিনি। ৫৩ রান খরচ করে ২টি উইকেট ইবাদত হোসেনের।

জবাবে হৃদয় ও তাইবুবের তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৯৮ রানই জয়ের ভিত পেয়ে যায় শেখ জামাল। দুই ব্যাটারই পান ফিফটি। ৭৭ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৭২ রান করেন হৃদয়। ১০০ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৬৩ রান করেন তাইবুর। এছাড়া সাইফ হাসান ৩৯ ও ফজলে মাহমুদ ৩৮ রান করেন।

আবাহনীর পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন রাকিবুল ইসলাম ও দানিশ আজিজ।

সাভারের বিকেএসপিতে দিনের অপর ম্যাচে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় প্রাইম ব্যাংক। জবাবে ১৫২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ।

বিকেএসপিতে আরেক ম্যাচে রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৪৮ রান করে রূপগঞ্জ টাইগার্স। জবাবে ২৩ বল হাতে রেখে জয় পায় অগ্রণী ব্যাংক।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

Some government employees are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Centre has found.

4h ago