আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ম্যাকগ্রা, এমসিসি জানাল কোন ভুল হয়নি

শনিবার লর্ডসে চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলের ঘটনা। ক্যামেরন গ্রিনের বাউন্সার ঠিকমতো খেলতে পারেননি ডাকেট। বল তার ব্যাটের উপরের কানায় লেগে যায় ফাইন লেগের দিকে। অনেকখানি ছুটে ক্যাচ হাতে জমান স্টার্ক। থিতু থাকা ব্যাটারকে ফেরানোর আনন্দ উদযাপন করতে থাকে অজিরা। ডাকেটও মাথা নিচু করে ফিরছিলেন। কিন্তু নাটকের বাকি ছিল আরও।

আউট ভেবে ড্রেসিংরুমের দিকে চলে যাচ্ছিলেন বেন ডাকেট। মাঠের দুই আম্পায়ার বাউন্ডারি লাইন থেকে তাকে ফেরত আনেন। কারণ তৃতীয় আম্পায়ারের রায়ে বেঁচে গেছেন ডাকেট। এমন সিদ্ধান্তে বিস্ময় জানায় অস্ট্রেলিয়া। তাদের সাবেক তারকা পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা তো ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, 'একবারেই রাবিশ।' তবে ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থা এমসিসি জানিয়েছে, আইন অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তৃতীয় আম্পায়ার। এক্ষেত্রে কোন ভুল হয়নি।

শনিবার লর্ডসে চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলের ঘটনা। ক্যামেরন গ্রিনের বাউন্সার ঠিকমতো খেলতে পারেননি ডাকেট। বল তার ব্যাটের উপরের কানায় লেগে যায় ফাইন লেগের দিকে। অনেকখানি ছুটে ক্যাচ হাতে জমান স্টার্ক। থিতু থাকা ব্যাটারকে ফেরানোর আনন্দ উদযাপন করতে থাকে অজিরা। ডাকেটও মাথা নিচু করে ফিরছিলেন।

কিন্তু নাটকের বাকি ছিল আরও। মাঠের দুই আম্পায়ার এহসান রাজা ও ক্রিস গ্যাফানি নিজেদের মধ্যে আলাপ করে ডাকেটকে ফেরান। তৃতীয় আম্পায়ার মরিস এরাসমাসের কাছ যায় সিদ্ধান্তের ভার। তিনি পরীক্ষা করে দেখেন স্টার্ক ক্যাচ নিলেও নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি, বল স্পর্শ করেছে মাটিতে। আসে নট আউটের সিদ্ধান্ত।

এরপরই বিসিবি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে ধারাভাষ্য দিতে থাকা ম্যাকগ্রা বলে উঠেন, 'আমি দুঃখিত। বলতেই হচ্ছে এটা আমার জীবনে দেখে সবচেয়ে রাবিশ সিদ্ধান্ত। সে বল পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। দুঃখিত, এটা যদি নট আউট হয় তবে এখন পর্যন্ত যত ক্যাচ নেওয়া হয়েছে সব নট আউট হওয়া উচিত।'

ক্রিকেটের আইন অবশ্য অজি কিংবদন্তি পেসারের সঙ্গে একমত হচ্ছে না। আইনের ৩৩.৩ ধারা অনুযায়ী একটি ক্যাচ বৈধ হবে তখনই যখন বল ও শরীরের মুভমেন্ট ফিল্ডারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দুটো নিয়ন্ত্রণে থাকার আগ পর্যন্ত বল মাটিতে স্পর্শ করা যাবে না। রিপ্লেতে দেখা গেছে স্টার্কের শরীর নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই বল মাটি স্পর্শ করেছে।

এই টেস্টেই স্টিভেন স্মিথের নেওয়া একটা ক্যাচের বেলায় দেখা দিয়েছিল এমন সংশয়। তবে স্মিথের আঙুল ছিল বলের নিচে, নিয়ন্ত্রণও ছিল। কাজেই বলের কোন অংশ ঘাস স্পর্শ করলেও আউটের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন আম্পায়ার।

Comments

The Daily Star  | English

Trees are Dhaka’s saviours

Things seem dire as people brace for the imminent fight against heat waves and air pollution.

5h ago