দ. আফ্রিকাকে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল টাইগার যুবারা

আগের চার ম্যাচে দুই দলই জিতেছিল দুইটি করে ম্যাচ। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি তাই ছিল অলিখিত ফাইনালের মতোই। আর সেই ফাইনাল জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

আগের চার ম্যাচে দুই দলই জিতেছিল দুইটি করে ম্যাচ। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি তাই ছিল অলিখিত ফাইনালের মতোই। আর সেই ফাইনাল জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

সোমবার রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে ২১০ রানে গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। জবাবে ১৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছায় বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়ায় আরিফুল ইসলাম ও আদিল বিন সিদ্দিকের ব্যাটে ভয়ের ভিত পায় বাংলাদেশ। চার নম্বরে নেমে ৭৬ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন আরিফুল। আর ওপেনিংয়ে নামা আদিল করেন ৫৮ রান। ৭০ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি।

তৃতীয় উইকেটে ৮৭ রানের জুটি গড়েন এ দুই ব্যাটার। আদিলের বিদায়ের পর অবশ্য নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট তুলে নিয়েছিল প্রোটিয়ারা। এক প্রান্ত আগলে রেখে সতীর্থদের সঙ্গে ছোট ছোট জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন আরিফুল। দক্ষিণ আফ্রিকার লিয়াম অল্ডার ৪টি ও জুয়ান জেমস ৩টি উইকেট পান।

এর আগে টস জিতে প্রোটিয়াদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় টাইগার যুবারা। দুই পেসার রাহনাত বর্ষণ ও রিজান হোসেনের তোপে শুরু থেকেই চাপে পড়ে সফরকারীরা। এরপর দুই বাঁহাতি স্পিনার মাহফুজুর রহমান রাব্বি ও রাফিউজ্জামান রাফির ঘূর্ণিতে মাঝারী পুঁজি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।

প্রোটিয়াদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রানের ইনিংস খেলেন ডাভিড টিগার। ৮৯ বলে ৩টি চারের সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এছাড়া জুয়ান জেমস ৩২ ও রিচার্ড সেলেটসুয়ানি ২৭ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ৪৩ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নেন রাব্বি। এছাড়া ২টি করে উইকেট পান বর্ষণ, রাফি ও রিজান।  

Comments

The Daily Star  | English