দলকে চাঙা করতেই মেসির মতো সেলিব্রেশন যুবাদের

আগের দিন শিরোপা জিতে মাঠেই মেসির মতো সেলিব্রেশন করেছিলেন টাইগার যুবারা, আজ বিসিবিতে এসেও করলেন মেসিকে অনুকরণ।

ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনেই কাতার বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। শিরোপা জয়ের পর মেসিদের উল্লাস এখনও চোখে ভাসে সমর্থকদের। বিশেষকরে ট্রফি হাতে নিয়ে সতীর্থদের কাছে গিয়ে উঁচিয়ে ধরা পর্যন্ত মেসির যেই সেলিব্রেশন। ঠিক তার অনুকরণে আজ দেশে ফিরে বিসিবিতে সেই ধরণের সেলিব্রেশন করেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা।

অবশ্য এমন সেলিব্রেশন আজ বিসিবিতেই কেবল নয়, আগের দিন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও একই ধরণের সেলিব্রেশন করেছেন যুব টাইগাররা। ফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবাদের ১৯৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়াকাপ জেতে বাংলাদেশ। পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর মেসির মতো দুলতে দুলতে সতীর্থদের কাছে আসেন অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বি। এরপর উপরে তুলে চিৎকার।

স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে তরুণ এই ক্রিকেটাররা বুঝি মেসি কিংবা আর্জেন্টিনার বড় ভক্ত। তবে বিষয়টি তেমন নয়। যিনি ট্রফি হাতে দুলতে দুলতে সতীর্থদের সঙ্গে একত্রে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছেন, সেই অধিনায়ক রাব্বি নিজেও ব্রাজিলের সমর্থক। এমনকি দলের সবাই আর্জেন্টিনার সমর্থকও নন। মূলত দলকে চাঙা রাখতেই এমন উদযাপন করেছেন তারা।

বিসিবির এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে অধিনায়ক বললেন, 'আসলে কাউকে ফলো করার বিষয় না। আমি নিজেও ব্রাজিল সমর্থন করি। মেসির সেলিব্রেশন করাটা আসলে আমার দল খুব এনজয় করে। দলের জন্যই এই সেলিব্রেশনটা করা। আর্জেন্টিনার সমর্থক না এই সেলিব্রেশন করলে সবাই খুব চাঙা থাকে। এইজন্যই।'

আর এ সময়ে দলকে চাঙা রাখাটা যে খুব গুরুত্বপূর্ণ অধিনায়কের জন্য। কারণ তাদের মূল লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকাতে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। এশিয়াকাপ থকে তার ভালো প্রস্তুতি নিতে পেরেছেন জানিয়ে রাব্বি বলেন, 'প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়াকাপ জিতেছি, এটা আমাদের জন্য বড় একটা প্রাপ্তি। সামনে আমাদের বিশ্বকাপ রয়েছে, এরজন্য আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। এশিয়াকাপ থেকে খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি বিশ্বকাপের জন্য।'

Comments

The Daily Star  | English

Took action against 'former peon' who amassed Tk 400cr: PM

Prime Minister Sheikh Hasina said she has taken action against a former "peon" of her own house who amassed Tk 400 crore in wealth

58m ago