বিপিএলে অস্ট্রেলিয়ানদের কম আসার কারণ জানালেন কাটিং

বিপিএলে এবার সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে খেলবেন বেন কাটিং।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের খুব একটা দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে দুই একজন ক্রিকেটার দুই একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে খেলেন। তেমনি এবার সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে অজিদের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে খেলবেন অলরাউন্ডার বেন কাটিং। তবে কেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা এই আসরে নিয়মিত নন তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

অবশ্য বিপিএলে অস্ট্রেলিয়ার অনেক তারকা খেলোয়াড়ও খেলে গিয়েছেন। ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ, ব্র্যাড হজ, শন টেইট, ডেভিড হাসি, শেন ওয়াটসন ও জেমস ফকনারদের মতো ক্রিকেটার খেলে গিয়েছেন। এছাড়া ক্রিস লিন, বেন ডাঙ্ক, ক্যামেরুন বেনক্রফট, ড্যান ক্রিস্টিয়ান, বেন লাফলিন, ফাওয়াদ আহমেদের মতো মাঝারী সারির ক্রিকেটারও খেলেছেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাঝারী সারি কিংবা উঠতি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদেরও দেখা যায় না তেমন। এর ব্যাখ্যা দিয়ে কাটিং বলেন, 'একই সময়ে বিগ ব্যাশ চলে অস্ট্রেলিয়ায়। আমি বাদে খুব কম অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারই অন্য লিগ খেলতে পারে। সম্ভবত ২-১ জন ফ্রিল্যান্স ক্রিকেটারই শুধু খেলতে পারে। অন্যজন ক্রিস লিন, সে বিগ ব্যাশ খেলছে। এটাই একমাত্র কারণ। তবে আমি নিশ্চিত, ছেলেরা বিপিএল খেলতে এলে অনেক উপভোগ করত। বিগ ব্যাশের সঙ্গে সূচি সাংঘর্ষিক না হলে অস্ট্রেলিয়ার অনেকেই খেলতে পারত।'

ব্যাট হাতে ঝড় তোলার বেশ সুনাম রয়েছে কাটিংয়ের। লোয়ার অর্ডারে দ্রুত রান তুলতে পারদর্শী। একই সঙ্গে পেস বোলিংয়ে অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তার। যা নিঃসন্দেহে কার্যকরী হতে পারে দলটির জন্য। তবে ব্যাট হাতে দারুণ কিছু করার প্রত্যয় দেখান এই অলরাউন্ডার, 'আশা করি, আপনারা কিছু ছক্কা দেখতে পারবেন। আমি ব্যাটে-বলে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছি। আশা করি, ভালো কিছু ম্যাচ খেলতে পারব।'

তবে বাংলাদেশের উইকেট অবশ্য স্পিনারদের সহায়তা করে বেশি। যা আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্য আদর্শ নয়। তবে উইকেট তেমন সমস্যা হবে না বলেই বিশ্বাস করেন কাটিং, 'আমার সমস্যা নেই। আমি ব্যাটিং-বোলিং দুটিই করি। তাই উইকেট ব্যাটিং বা বোলিং সহায়ক... আমার সমস্যা নেই।'

'সত্যি বলতে এবারের উইকেট সম্পর্কে আমি খুব বেশি কিছু শুনিনি। তবে টিভিতে অনেক বছর ধরেই বিপিএল দেখেছি, অনেক রান হতে দেখেছি। টুর্নামেন্ট যতটা এগোয়, বেশির ভাগ সময় স্পিনারদের নিয়ন্ত্রণ নিতে দেখেছি। এসব টুর্নামেন্টে এটা প্রত্যাশিতই,' যোগ করেন এই অলরাউন্ডার।

Comments

The Daily Star  | English

Baily Road Fire: Death toll climbs to 43

Of the deceased, 33 died at Dhaka Medical College Hospital and 10 in Sheikh Hasina National Institute of Burn and Plastic Surgery

4h ago