শিক্ষা

প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানি: খোঁজ মিলছে না প্রশ্ন প্রণেতার

ঢাকা বোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ ওঠার পর প্রশ্ন প্রণেতা ও মডারেটরদের চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি আলোচনায় আসার পর থেকে প্রশ্ন প্রণেতা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পালের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রশান্ত কুমার পাল। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ ওঠার পর প্রশ্ন প্রণেতা ও মডারেটরদের চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি আলোচনায় আসার পর থেকে প্রশ্ন প্রণেতা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পালের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

গত রোববার অনুষ্ঠিত ঢাকা বোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নটি তৈরি করেছেন প্রশান্ত কুমার পাল। প্রশ্নপত্র পরিশোধনকারীরা হলেন নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তাজুদ্দিন শাওন, সাতক্ষীরা সহকারী মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার মঙ্গলবার তাদের পরিচয় প্রকাশ করেন।

ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বলাই চন্দ্র পাল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'প্রশান্ত কুমার পাল সর্বশেষ মঙ্গলবার সকালে কলেজে এসেছিলেন। কিছুক্ষণ পরই তিনি চলে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।'

তিনি আরও জানান, প্রশান্ত কুমার পালের বাড়ি যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাজরা খানা গ্রামে। সেখানে তার মা ও ভাই থাকেন। বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew left deep wounds on almost all corners of the economy.

1h ago