বাংলাদেশের বিপক্ষে গতিময় ও বাউন্সি উইকেট চান টেইলর

ধীর গতির পিচ বানিয়ে স্পিন আক্রমণ নির্ভর বাংলাদেশকে সহায়তা করার ফাঁদে পা দিতে চায় না জিম্বাবুয়ে।
taylor_brendon
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

ধীর গতির পিচ বানিয়ে স্পিন আক্রমণ নির্ভর বাংলাদেশকে সহায়তা করার ফাঁদে পা দিতে চায় না জিম্বাবুয়ে। চেনা কন্ডিশনে গতিময় ও বাউন্সি উইকেট বানিয়ে টাইগারদের ঘায়েল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন দলটির অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর।

আগামীকাল বুধবার হারারেতে শুরু হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের একমাত্র টেস্ট। প্রথম দিনের খেলা মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায়।

বাংলাদেশে সফরে এসে বহুবার স্পিনে কুপোকাত হয়েছে জিম্বাবুয়ে। এবার জিম্বাবুয়ের মাঠে খেলা হলেও বাংলাদেশের স্কোয়াডে আছেন সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের মতো স্পিনার। টেইলর তাই পাল্টা কৌশল আঁটছেন। নিজেদের মাটিতে পেস বোলিংয়ের মাধ্যমে তারা ধরাশায়ী করতে চাইছেন বাংলাদেশকে।

টেস্ট শুরুর আগের দিন ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ তারকা ব্যাটসম্যান বলেছেন, ঘরের মাঠের ফায়দা তোলার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তাদের, ‘আমরা একটি গতিময় ও বাউন্সি উইকেট চাই, যাতে বল ব্যাটের কানায় লাগে। খুব ধীরগতিসম্পন্ন উইকেট বানিয়ে আমরা তাদের হাতের খেলনা হতে চাই না। তাদের একটি অভিজ্ঞ (স্পিন) লাইনআপ আছে। (গতি ও বাউন্স) আমাদের নিজেদের কন্ডিশনের সৌন্দর্য। আশা করছি, আমরা তা কাজে লাগাতে পারব।’

বাংলাদেশকে সমীহ করে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকার কথাও জানিয়েছেন টেইলর, ‘বছরের পর বছর ধরে তারা আমাদের কঠিন সময় উপহার দিয়েছে তাদের মাটিতে। তাই এবার নিজেদের মাঠে খেলাটা দারুণ ব্যাপার হবে। এখানে আমরা আমাদের শক্তির জায়গা অনুসারে খেলব। তারা পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে এসেছে। আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে আমরা সেটার জন্য মুখিয়েও আছি।’

মাঠে নামার আগে অবশ্য বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে জিম্বাবুয়ে। আইসোলেশনে যেতে বাধ্য হওয়ায় এই টেস্টে খেলতে পারছেন না নিয়মিত অধিনায়ক শন উইলিয়ামস ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যান ক্রেইগ আরভিন। উইলিয়ামসের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন টেইলর। অন্যদিকে, চোটের কারণে বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবালের খেলার সম্ভাবনাও খুবই ক্ষীণ।

Comments

The Daily Star  | English

EC issues guidelines for international election observers

The Election Commission today issued guidelines for international observers with a provision that individuals or organisations functioning as observers should have a working experience of "good governance, elections, democracy, peace building and human rights".

13m ago