ইউনাইটেডের কোচের চাকরি হারাচ্ছেন সুলশার

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বেহাল দশায় চাকরি হারাতে যাচ্ছেন কোচ ওলে গানার সুলশার।
ছবি: এএফপি

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবশেষ ১১ ম্যাচের ছয়টিতে হার। তিনটি ড্রয়ের পাশাপাশি জয় মাত্র দুটিতে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এমন বেহাল দশায় চাকরি হারাতে যাচ্ছেন কোচ ওলে গানার সুলশার। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, তাকে বিদায় করে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন ক্লাবটির বোর্ড কর্মকর্তারা।

টানা বাজে ফলের কারণে অনেক দিন ধরেই ভীষণ চাপে রয়েছেন সুলশার। ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে লিভারপুলের কাছে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর শহর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ২-০ গোলে হারলেও তার উপর আস্থা রাখা হয়েছিল। কিন্তু শনিবার রাতে ওয়াটফোর্ডের মাঠে ৪-১ গোলে উড়ে যাওয়ার পর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে ইউনাইটেডের কর্তাদের। ম্যাচের পর দীর্ঘ বৈঠক করে তারা সুলশারকে কোচের দায়িত্বে না রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

প্রখ্যাত ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, সুলশারকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন ইউনাইটেডের সহ-সভাপতি জোয়েল গ্লেজার। এখন অপেক্ষা কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

সুলশারকে অবশ্য 'ছাঁটাই' করতে চায় না রেড ডেভিলরা। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে চুক্তি বাতিল করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বড় অঙ্কের অর্থ পাবেন নরওয়ের সাবেক তারকা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, স্থায়ী কোচ না পাওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত হিসেবে ইউনাইটেডের দায়িত্ব পালন করবেন টেকনিক্যাল পরিচালক ড্যারেন ফ্লেচার। তার সহকারী হিসেবে থাকবেন মাইকেল ক্যারিক। সুলশারের মতো তারা দুজনও দলটির সাবেক ফুটবলার।

ওয়াটফোর্ডের কাছে হারের পর সুলশারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ইউনাইটেডকে কোচিং করানোর জন্য তিনি এখনও সেরা ব্যক্তি কিনা। জবাবে তিনি বলেন, 'আমার সবসময় নিজের উপর বিশ্বাস রয়েছে। অবশ্যই, এই সময়টা আমাদের জন্য ভীষণ কঠিন। তবে আমি বিশ্বাস করতে পারি যে এখানে যারা (খেলোয়াড়) আছে, তারা নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিবে। স্টাফরাও চমৎকার। কিন্তু ফল আমাদের পক্ষে আসছে না। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব।'

বর্তমান চিত্র অবশ্য বলছে, দুরবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আর কোনো সুযোগ মিলছে না সুলশারের।

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles running amok

The bus involved in yesterday’s accident that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not caved in to transport associations’ demand for allowing over 20 years old buses on roads.

3h ago