আইসিসি থেকে শাস্তি পেলেন বাংলাদেশের খালেদ

কাইল ভেরেইনাকে বল ছুঁড়ে মেরে ক্ষমা চেয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ। তবে তাতে রক্ষা হয়নি তার। বল ছুড়ে মারার সে ঘটনায় বাংলাদেশের এই পেসারকে জরিমানা করেছে আইসিসি। ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে তার। একই সঙ্গে তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

কাইল ভেরেইনাকে বল ছুঁড়ে মেরে ক্ষমা চেয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ। তবে তাতে রক্ষা হয়নি তার। বল ছুড়ে মারার সে ঘটনায় আইসিসির আচরণবিধি ভাঙায় বাংলাদেশের এই পেসারকে জরিমানা করেছে আইসিসি। ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে তার। একই সঙ্গে তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

আইসিসির আচরণবিধির ২.৯ অনুচ্ছেদ ভাঙায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন খালেদ। ঘটনাটি ঘটে পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টের দ্বিতীয় দিনে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসের ৯৫তম ওভারে খালেদের বল রক্ষণাত্মক ঢঙ্গে খেলে স্ট্রাইকিং প্রান্তে দাঁড়িয়েছিলেন ভেরেইনা। রান না নেওয়ার চেষ্টা করলেও বল ছুঁড়ে মারেন খালেদ। বল আঘাত হানে ভেরেইনার গ্লাভসে।

সে ঘটনায় তখনই উত্তেজনা ছড়ায়। যদিও সঙ্গেসঙ্গেই দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছিলেন খালেদ। কিন্তু ভেরেইনা মানতে নারাজ ছিলেন। পরে স্লিপ থেকে দৌড়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন ইয়াসির আলী। তখন খালেদকে সতর্ক করে মুমিনুল হকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন আম্পায়াররা।

পরে অনফিল্ড আম্পায়ার মারাইস ইরাসমাস ও আলাহুডিয়েন পালেকার, তৃতীয় আম্পায়ার আড্রিয়ান হোল্ডস্টক ও চতুর্থ আম্পায়ার বোনগানি জেলে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ আনেন। অ্যান্ডি পেক্রাফটের আরোপিত সে শাস্তি মেনে নেন খালেদ।

তবে সেই ঘটনার পরের ওভারে ফিরে এসে ভেরেইনাকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান খালেদ। এমনকি আউট করার পর ভেরেইনার দিকে চেয়ে গর্জে উঠেছিলেন তিনি। ড্রাইভ করতে গিয়ে বলের লাইন মিস করার আগে ৪৮ বলে ৪টি চারের ২২ রান করেন ভেরেইনা।

Comments