ভালো আছে তোফা, তাহুরা

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করা জোড়া যমজ দুই বোন তোফা ও তাহুরা ভালো আছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। ১০ মাস বয়সী গাইবান্ধার এই দুই বোন কোমরের দিকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় জন্ম নিয়েছিল। ডাক্তাররা গতকাল তাদের আলাদা করে।
অস্ত্রোপচারে আলাদা করা জোড়া যমজ তোফা ও তাহুরা।ছবি: স্টার

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করা জোড়া যমজ দুই বোন তোফা ও তাহুরা ভালো আছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। ১০ মাস বয়সী গাইবান্ধার এই দুই বোন কোমরের দিকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় জন্ম নিয়েছিল। ডাক্তাররা গতকাল তাদের আলাদা করে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহনূর ইসলাম আজ সকালে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, তোফা ও তাহুরা তাদের মা শাহিদার বুকের দুধ খেয়েছে। গতকাল দুপুরের দিকে এই হাসপাতালে শিশু দুটিকে পৃথক করা হয়।

হাসপাতালে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ডাক্তাররা বলেছেন, শিশু দুটি ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে কি না তা অস্ত্রোপচারের ৪৮ ঘণ্টা পর বলা যাবে। সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিজানুর রহমান, শাহনূর ইসলামসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য ডাক্তাররা তোফা, তাহুরার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন।

যমজ দুই বোনকে আগামী ১০ দিন পোস্ট অপারেটিভ রুমে ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। তাদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আগামীকাল দুপুরে ফের ব্রিফ করবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বেশ কয়েকজন নার্সসহ গতকাল ২৪ সদস্যের ডাক্তারদের একটি দল তোফা ও তাহুরাকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করে। একই রকম দেখতে শিশুদুটি মাতৃগর্ভেই সংযুক্ত অবস্থায় বড় হয়। সংযুক্ত যমজ শিশুর জন্ম একটি বিরল ঘটনা। এর মধ্যে পেলভিস সংযুক্ত থাকা আরও বিরল।  এ রকম সংযুক্ত যমজদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘পিগোপাগাস কনজয়েন্ড টুইনস’ বলা হয়।

বাংলাদেশে এর আগে কখনও এভাবে যুক্ত থাকা যমজদের আলাদা করার অস্ত্রোপচার হয়নি।

জন্মের পর থেকে তোফা ও তহুরা একসঙ্গে বড় হয়েছে। পিঠের কাছ থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত তারা পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। দুজনের পায়খানার রাস্তা ছিল একটি।

ডাক্তাররা বলছেন শিশু দুটির স্বাস্থ্য বিবেচনায় সবকিছু ঠিক থাকলে ছয় মস পর তাদের আরও সামান্যকিছু অস্ত্রোপচারের দরকার হবে।

Click here to read the English version of this news

Comments

The Daily Star  | English
MP Azim’s body recovery

Feud over gold stash behind murder

Slain lawmaker Anwarul Azim Anar and key suspect Aktaruzzaman used to run a gold smuggling racket until they fell out over money and Azim kept a stash worth over Tk 100 crore to himself, detectives said.

6h ago