হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নিহত চার স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন সিলেটের দ্রুত বিচার আদালত।
habigan four-murder
২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রাম থেকে বালি সরিয়ে শিশুদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ছবি: স্টার ফাইল ফটো

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নিহত চার স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন সিলেটের দ্রুত বিচার আদালত।

আদালত আজ (২৬ জুলাই) এক রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রুবেল মিয়া, আরজু মিয়া এবং উস্তার মিয়া প্রত্যেককে ১০,০০০ টাকা জরিমানা দিয়েছেন।

আসামীদের মধ্যে উস্তার মিয়া পলাতক রয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আইনজীবী কিশোর কুমার করের বরাত দিয়ে আমাদের মৌলভীবাজার সংবাদদাতা জানান, আদালত শিশুদের অপহরণের দায়ে অভিযুক্ত অপর দুজন – জুয়েল মিয়া এবং শাহেদ আহমেদ বশির – প্রত্যেককে সাত বছরের সাজা এবং ৫,০০০ টাকা করে জরিমানা করেছেন।

এছাড়াও, মামলার অপর দুই আসামী আব্দুল আলী এবং বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাঁদেরকে খালাস দিয়েছেন।

গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামে পঞ্চায়েতের বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকেরা চার শিশু – মনির মিয়া (৭), জাকারিয়া শুভ (৮), তাজেল মিয়া (১০) এবং ইসমাইল মিয়াকে (১০) অপহরণের পর হত্যা করে।

রায়ে পরিবারের অসন্তোষ

এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে নিহত মনির মিয়ার মা সালেমা বেগম বলেন, “এমন রায়ে ছেলে হারানোর ব্যথা আরও বেড়ে গেল। কেননা, এ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল আলীর কোন শাস্তি হয়নি। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা হাইকোর্টে আপিল করবো।”

উল্লেখ্য, গোয়েন্দারা গত ৫ এপ্রিল আব্দুল আলী, তাঁর দুই ছেলে রুবেল মিয়া এবং জুয়েল মিয়া, হাবিবুর রহমান আরজু, শাহেদ আহমেদ বশির, বাচ্চু মিয়া, বাবুল মিয়া, উস্তার মিয়া এবং বিল্লাল মিয়ার নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিকে, ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাচ্চু র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

Click here to read the English version of this news

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

A section of government officials are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Center has found.

2h ago