৬ মাসে ‘ক্রসফায়ার ও পুলিশি হেফাজতে’ ৯০ জনের মৃত্যু

সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে গত ছয় মাসে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর প্রতিবেদনে আজ উল্লেখ করা হয়।
shootout

সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে গত ছয় মাসে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর প্রতিবেদনে আজ উল্লেখ করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ছয় মাসে প্রধান প্রধান জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে দেখা গেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে অথবা “ক্রসফায়ারে” মোট ৯০ জন মারা গেছেন।

এর মধ্যে র‌্যাবের “ক্রসফায়ারে” ১২ জন, পুলিশের “ক্রসফায়ারে” ৪৬ জন, ডিবি পুলিশের “ক্রসফায়ারে” আটজন, র‌্যাব ও পুলিশের “ক্রসফায়ারে” একজন, পুলিশের নির্যাতনে চারজন, পুলিশের গুলিতে ১২ জন, র‌্যাবের গুলিতে একজন এবং র‌্যাব ও পুলিশের গুলিতে একজন মারা গেছেন বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

একটি জাতীয় দৈনিকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, বান্দরবানের লামায় সেনাবাহিনীর গুলিতে একজন মারা গেছেন।

বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের বরাত দিয়ে বলা হয়, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নেতা রমেল চাকমার (২০) পরিবারের অভিযোগ – গত ৫ এপ্রিল সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে আটকের পর নির্যাতন করার ফলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১৯ এপ্রিল মারা যান তিনি।

এছাড়াও, গত ছয় মাসে কারা হেফাজতে মারা গেছেন ২৫ জন। এদের মধ্যে কয়েদি আটজন এবং হাজতি ১৭ জন।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ১৮৫টি। এতে নিহত হয়েছেন ৩৭ জন এবং আহত হয়েছেন ২,৫৭০ জন।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ অনুযায়ী, সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ৪৪ জনকে আটক করার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়।

এ সময়কালে যৌন হয়রানি ও সহিংসতা, ধর্ষণ ও হত্যা, পারিবারিক নির্যাতন, যৌতুকের জন্যে নির্যাতন, গৃহকর্মী নির্যাতন, এসিড নিক্ষেপ, সালিশ ও ফতোয়ার মাধ্যমে নির্যাতনসহ নারী নির্যাতনের অনেক ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনটি জানায়।

Comments

The Daily Star  | English

Bangladeshi students terrified over attack on foreigners in Kyrgyzstan

Mobs attacked medical students, including Bangladeshis and Indians, in Kyrgyzstani capital Bishkek on Friday and now they are staying indoors fearing further attacks

4h ago