শিমুলিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল দেখা গেছে। আজ রোববার সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বাড়তি চাপ রয়েছে।
লঞ্চ টার্মিনাল কানায় কানায় পূর্ণ যাত্রীতে। ছবি: সাজ্জাদ হোসেন/স্টার

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল দেখা গেছে। আজ রোববার সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বাড়তি চাপ রয়েছে।

এ ছাড়া, লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটেও যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল ১০টায় শিমুলিয়া ঘাটের এ পরিস্থিতি দেখা যায়।

এ নৌপথে ১০টি ফেরি, ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫৫টি স্পিডবোট চলাচল করছে।

ঘাট এলাকায় প্রায় ৫ শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি পারের অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়া, কয়েক হাজার মোটরসাইকেল পারের জন্য অপেক্ষা করছে।

লঞ্চ টার্মিনাল কানায় কানায় পূর্ণ যাত্রীতে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের। প্রচণ্ড রোদে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। নৌযানগুলোতেও অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে চলাচল করতে দেখা গেছে। ঘাট পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন/স্টার

বিআইডব্লিউটিসি'র শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সকাল সাড়ে ৯টায় প্রায় ৫ শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি পারের অপেক্ষায় ছিল। এ ছাড়া, কয়েক হাজার মোটরসাইকেল অপেক্ষা করছে ফেরি পারের জন্য। লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ার আগে ফেরিগুলোতে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ পড়ে। তবে লঞ্চ চলাচল নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হওয়ায় যাত্রীদের চাপ ধীরে ধীরে কমবে।'

শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক এবং সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহাদাত হোসেন ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সকাল থেকে লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের অত্যধিক চাপ রয়েছে। যাত্রী চাপ এতটাই যে, ঠিক মতো কাজও করা যাচ্ছে না। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবুও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।'

Comments

The Daily Star  | English

Desire for mobile data trumps all else

As one strolls along Green Road or ventures into the depths of Karwan Bazar, he or she may come across a raucous circle formed by labourers, rickshaw-pullers, and street vendors.

14h ago