আন্তর্জাতিক

পুতিন তখন যা করছিলেন

‘আজ যুদ্ধের সব ভার তাদের ওপর, যারা সম্মুখযুদ্ধে আছেন। আমাদের সব যোদ্ধারা সাহসের সঙ্গে লড়াই করছেন। মাতৃভূমির প্রতি ভক্তি রেখে বিশেষ সামরিক অভিযানে যারা অংশ নিচ্ছেন তারা সামরিক বাহিনীর একতার প্রতি অনুগত থাকবেন।’
ভাগনার প্রধান
ভ্লাদিমির পুতিন ও ইয়েভগেনি প্রিগোশিন। ছবি: রয়টার্স ফাইল ফটো

মস্কোর উত্তরে ভাড়াটে সেনাদল ভাগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোশিনকে বহনকারী ব্যক্তিগত উড়োজাহাজটি যখন বিধ্বস্ত হয়, তখন দেশটির পশ্চিমে ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী কুরস্ক অঞ্চলে এক সামরিক অনুষ্ঠানে ছিলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সেখানে পনেরি গ্রামে জার্মানির নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত বাহিনীর ঐতিহাসিক 'কুরস্ক যুদ্ধে'র ৮০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি। ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে এ অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ট্যাংকযুদ্ধ হয়।

আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

সিএনএন'র প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পুতিন তার বক্তব্যে প্রতিবেশী ইউক্রেনে 'বিশেষ অভিযানের' পক্ষে কথা বলছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিনি পুরস্কার বিতরণও করেন।

অনুষ্ঠানে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, 'আজ যুদ্ধের সব ভার তাদের ওপর, যারা সম্মুখযুদ্ধে আছেন। আমাদের সব যোদ্ধারা সাহসের সঙ্গে লড়াই করছেন। মাতৃভূমির প্রতি ভক্তি রেখে বিশেষ সামরিক অভিযানে যারা অংশ নিচ্ছেন তারা সামরিক বাহিনীর একতার প্রতি অনুগত থাকবেন।'

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গতকাল সন্ধ্যায় পুতিনের বক্তব্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাশিয়া টোয়েন্টিফোরের সেই সংবাদ বুলেটিনে মস্কোর উত্তরে তিভার অঞ্চলে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের সংবাদ প্রচার করা হয়।

সেই উড়োজাহাজে যাত্রীদের মধ্যে ইয়েভগেনি প্রিগোশিনও ছিলেন বলেও জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুসারে, ইমব্রায় উড়োজাহাজটি সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে উড়াল দিয়ে মস্কোর দিকে আসার সময় তিভার অঞ্চলে কুঝেনকিনো গ্রামে বিধ্বস্ত হয়।

রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, উড়োজাহাজে থাকা ৩ ক্রুসহ ১০ জন সবাই নিহত হয়েছেন

এর আগে দিনের শুরুতে প্রেসিডেন্ট পুতিন দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে ভিডিও বক্তব্য দেন। সে বক্তব্যে তিনি 'পশ্চিমের দেশগুলোর পরিচালিত যুদ্ধের' সমাপ্তি টানতে মস্কো ইউক্রেনে অভিযান চালিয়েছে বলে দাবি করেন।

Comments