ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনা অভিযানের ‘প্রশ্নই ওঠে না’: মাদুরো

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দাবি করেছেন, তার দেশে মার্কিন সেনা অভিযানের কোনো সম্ভাবনা নেই।
আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।
সম্প্রতি ক্যারিবীয় সাগরে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ ও চার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরো ও তার বামপন্থি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে মাদক বিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার জন্য ক্যারিবীয় সাগরের দক্ষিণে এবং ভেনেজুয়েলার সাগর-সীমার খুবই কাছে সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে।
জবাবে নিজেদের উপকূলরেখায় যুদ্ধজাহাজ ও ড্রোন পাঠিয়ে টহল দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কারাকাস।
মাদুরো বলেন, 'তাদের ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ করার প্রশ্নই ওঠে না।'
তিনি অঙ্গীকার করেন, 'শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতা' রক্ষায় তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে অভিযান চালানোর কোনো প্রকাশ্য হুমকি দেয়নি।
জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ভেনেজুয়েলার শক্তিশালী মাদক চক্রগুলো দমন করতে উঠেপড়ে লেগেছেন ট্রাম্প। এ ধরনের কয়েকটি চক্র যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেই মাদক পাচার কার্যক্রম পরিচালনা করে বলে অভিযোগ আছে।

পাশাপাশি, ওয়াশিংটনের অভিযোগ, মাদুরো নিজেই কোকেন পাচার চক্র 'কার্টেল দে লস সোলেস' এর নেতৃত্ব দেন। ইতোমধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন ওই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় যুক্ত করেছে।
এর আগে মাদক পাচারের জন্য বিচার আওতায় আনতে মাদুরোকে ধরিয়ে দেওয়া বা এ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য অর্থ পুরষ্কার ঘোষণা করে ওয়াশিংটন।
সম্প্রতি পুরষ্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করে পাঁচ কোটি ডলার করা হয়।
২০১৩ সালে সমাজতান্ত্রিক নেতা হুগো শাভেজের উত্তরসূরি হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন মাদুরো।
তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তার দেশে 'সরকার পরিবর্তনের' চেষ্টা চালানোর অভিযোগ এনেছেন।
Comments