৩ দশকেও বাস্তবায়ন হয়নি জাতীয় গ্রন্থনীতি

ইমরান মাহফুজ
ইমরান মাহফুজ

জাতীয় সংসদে অনুমোদনের তিন দশক পেরিয়ে গেলেও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি জাতীয় গ্রন্থনীতি। দায়িত্ব নির্ধারণের ঘাটতি, সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনার অভাব ও গ্রন্থখাতের উন্নয়নে কার্যকর কোনো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতিকে এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় গ্রন্থনীতি হলো বই প্রকাশনা, বিতরণ ও বিপণন, পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা। এর মাধ্যমে লেখক, প্রকাশক ও পাঠকের স্বার্থ রক্ষা এবং গ্রন্থশিল্পের বিকাশের একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করার কথা।

এই প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে ১৯৯৪ সালে দেশে বই প্রকাশনা, বিতরণ ও পাঠাভ্যাসকে উৎসাহিত করতে জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রণয়ন করা হয়। নীতিটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিতও হয়। কিন্তু দীর্ঘ ৩০ বছর পেরিয়ে গেলেও এর অধিকাংশ সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে নীতিটি কাগজে থাকলেও দেশের প্রকাশনা ও গ্রন্থখাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটেনি।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট থাকলেও বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও কার্যকর পরিকল্পনা না থাকায় এটি কার্যত কাগজেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়।

গত তিন দশকে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে বহুবার। কিন্তু জাতীয় গ্রন্থনীতির বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে দেশের প্রকাশনা শিল্প, পাঠাভ্যাস ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে নীতিগত দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সময়ের সঙ্গে পাল্টে গেছে বইয়ের জগৎ। প্রচলিত মুদ্রিত বইয়ের পাশাপাশি এখন ই-বুক, অডিও বুক, ব্রেইল বুক, এমনকি থ্রিডি বইও যুক্ত হয়েছে পাঠের পরিসরে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার বইয়ের ধারণা ও ব্যবহারকে আরও বহুমাত্রিক করেছে। ফলে ১৯৯৪ সালের প্রেক্ষাপটে তৈরি নীতিটি বর্তমান বাস্তবতায় অনেকাংশেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।

সংশোধনের উদ্যোগ, প্রস্তাবনা ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা

এই প্রেক্ষাপটে গ্রন্থনীতিটি যুগোপযোগী করার জন্য বিভিন্ন সময়ে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, অন্তত দুইবার সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা শেষ পর্যন্ত খসড়াতেই আটকে থাকে।

সম্প্রতি, আবারও নীতিটি হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১৪ সালের প্রস্তাবিত সংশোধিত নীতিমালায় লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পাশাপাশি ১৬টি ক্ষেত্র ও ২৯টি নীতিনির্ধারণী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এসব নীতির মধ্যে আছে—গ্রন্থ প্রণয়ন ও প্রকাশনার মানোন্নয়ন, প্রকাশনা শিল্পে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শিশু-কিশোরদের জন্য মানসম্মত বই প্রকাশ, উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্য ও গবেষণামূলক গ্রন্থ সরবরাহ, প্রতিবন্ধীদের জন্য উপযোগী বইয়ের ব্যবস্থা, নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও নব্য সাক্ষরদের পাঠাভ্যাস ধরে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।

এ ছাড়া, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গ্রন্থ প্রণয়ন, বিদেশি ক্লাসিক সাহিত্য অনুবাদ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চাকে তুলে ধরতে বিদেশি ভাষায় গ্রন্থ প্রকাশ, আন্তর্জাতিক বাজারে অংশগ্রহণের জন্য মানসম্মত গ্রন্থ প্রকাশ ও গ্রন্থ রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়গুলোও এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

গ্রন্থনীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ গ্রন্থের প্রকাশ ও প্রচার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একইসঙ্গে বইয়ের মূল্য নির্ধারণে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ ও গ্রন্থখাতের সার্বিক উন্নয়নের জন্য জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রকে পুনর্গঠন করে ‘বাংলাদেশ গ্রন্থ উন্নয়ন পরিষদ’ নামে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

গ্রন্থকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ইউনেসকোর উদ্যোগে ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল বুক সেন্টার ফর পাকিস্তান’-এর একটি শাখা ঢাকায় চালু ছিল। স্বাধীনতার পর এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বাংলাদেশ’। ১৯৯৫ সালে এ সংক্রান্ত আইন পাস হয় এবং ২০০৫ সালে প্রণীত হয় প্রবিধানমালা। ১৯৭৮ সাল থেকে গুলিস্তানে নিজস্ব ভবনে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ২০১১ সালে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রন্থনীতি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এতে ইউনেসকোর সুপারিশ অনুযায়ী স্বায়ত্তশাসিত ‘বাংলাদেশ গ্রন্থ উন্নয়ন পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে সেই উদ্যোগও শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।

বিশেষজ্ঞ মত, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ ভাবনা

জাতীয় গ্রন্থনীতি মানে হচ্ছে একটি দেশের সরকার কর্তৃক প্রণীত এমন একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দেশিকা, যা বইয়ের প্রকাশনা, বিতরণ, সংরক্ষণ, লাইব্রেরি উন্নয়ন ও নাগরিকের বই পড়ার সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করে।

এটি মূলত বইবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন ও সাহিত্য-সংস্কৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া একটি সমন্বিত উদ্যোগ। গ্রন্থখাতের জটিলতা ও এর বহুমাত্রিক গুরুত্বের কারণে একটি সমন্বিত ও কার্যকর নীতিমালা অত্যন্ত জরুরি।

বই একদিকে যেমন ‘পণ্য’, অন্যদিকে এটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ‘বাহন’। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২০১৪ সালের সংশোধিত নীতিমালার সদস্য ও সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সাহিত্য প্রকাশের পরিচালক মফিদুল হক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জাতীয় গ্রন্থনীতি মূলত একটি দিকনির্দেশনা, যা গ্রন্থখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রযোজ্য। তবে, নীতিটি কার্যকর করতে হলে বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের কথা বলা হলেও বাস্তবে জ্ঞানের অন্যতম প্রধান বাহন বই অবহেলিত থেকে যায়। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও গ্রন্থখাত নিয়ে নানা আলোচনা হলেও এর প্রতিফলন বাস্তবে খুব কমই দেখা যায়।’

দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের প্রকাশক মাহরুখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘২০১৪ সালে প্রণীত জাতীয় গ্রন্থনীতির খসড়ায় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রকে পুনর্গঠন করে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল, যা এখনো প্রাসঙ্গিক। গ্রন্থখাতকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। তাই একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থাকলে এটি আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে।’

১৯৯১ সালে জাতীয় গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালের ৮ আগস্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা কয়েক মাসের পর্যালোচনার পর ৩৪টি নীতির সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই ১৯৯৪ সালে জাতীয় সংসদে নীতিটি অনুমোদিত হয়।

১৯৯৪ সালের জাতীয় গ্রন্থনীতিতে বলা হয়েছে, এটি এমন একটি পরিকল্পনা ও নির্দেশিকা, যা বইয়ের প্রকাশনা, বিতরণ, সংরক্ষণ, গ্রন্থাগার উন্নয়ন ও নাগরিকদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এর মূল লক্ষ্য হলো বইবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন ও সাহিত্য-সংস্কৃতি সংরক্ষণ। তবে ৩ দশক পেরিয়ে গেলেও সেই নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গ্রন্থনীতি সংশোধন ও চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় স্থবির।

এ বিষয়ে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ২০১৪ সালে সংশোধিত জাতীয় গ্রন্থনীতি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘দেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আমরা যে জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রস্তাব করেছিলাম, তা সরকার বাস্তবায়ন করেনি। ১৯৯৪ সালের কপি সংশোধন করে আমরা যে প্রস্তাবগুলো দিয়ে ছিলাম তা অত্যন্ত কার্যকরণ উপযোগী ছিল। কিন্তু কী কারণে সরকার তা আমলে নেয়নি, জানি না।’

একটি কার্যকর জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন না হলে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি, মানসম্মত প্রকাশনা নিশ্চিত করা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জ্ঞানচর্চাকে তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়বে।

তাদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি সময়োপযোগী, বাস্তবমুখী ও কার্যকর জাতীয় গ্রন্থনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে—যা দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘একটি দেশের বইকেন্দ্রিক সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় গ্রন্থনীতি। এর মাঝে বইয়ের প্রকাশনা, বিতরণ, সংরক্ষণ, গ্রন্থাগার উন্নয়ন ও নাগরিকদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার কথা থাকবে। বই আমদানি-রপ্তানিবিষয়ক বিস্তারিত নির্দেশনা থাকবে। এটি কার্যকর না থাকায় একজন লেখক হিসেবে অনেক সংকটের মুখোমুখি হই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বই কেনাবেচা করে, কিন্তু লেখক সম্মানীর বিষয়ে ভাবনা নেই বললেই চলে।’

সরকারের ভূমিকাও নীরব ও হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

১৯৯৪ সালে গ্রন্থনীতি প্রণয়নের আহ্বায়ক গ্রন্থ বিশেষজ্ঞ বদিউদ্দিন নাজির দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে যথার্থ নেতৃত্বের অভাব। ১৯৯৪ সালে অধ্যাপক মনসুর মুসা ও কাজী আব্দুল মাজেদসহ বিশেষজ্ঞরা কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করেছিলেন। রিডিং সোসাইটি, গ্রন্থ উন্নয়ন পরিষদ খুব জরুরি। মনে রাখা দরকার, রাষ্ট্রের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দেশের উন্নয়ন ঠিক রাখতে চাইলে বই পড়া ছাড়া বিকল্প নেই। বিষয়টি সবাইকে জানাতে গ্রন্থনীতি বাস্তবায়ন আবশ্যক।’

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র বলছে, গ্রন্থনীতি নিয়ে আবারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘নতুন এসেছি। এখনো জানি না বিষয়টির কী অবস্থা। একটু সময় লাগবে গ্রন্থনীতি নিয়ে আপডেট জানতে।’

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম বলেন, ‘গ্রন্থনীতি প্রণয়নের বিষয়ে আমি আগেও মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলাম। তবে তখন কোনো সাড়া পাইনি। এবার বিষয়টি উত্থাপনের পর ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। ইতোমধ্যে প্রাথমিক অংশীজনদের সঙ্গে বসে তাদের মতামত নিয়েছি। খসড়া প্রণয়ন হলে অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। গ্রন্থনীতি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলে তা দেশের প্রকাশনা শিল্পের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমরা এটা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এগুলো গোছাতে একটু সময় লাগবে। আশা করছি গ্রন্থনীতি আমরা করতে পারব।’