অপরাধ ও বিচার

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি ৩ জানুয়ারি

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলের ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) ও আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
২১ আগস্ট, গ্রেনেড হামলা
ফাইল ছবি

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলের ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) ও আসামিদের আপিল শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করে আদেশ দেন। এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস।

২০০৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্যরাতে চট্টগ্রামের সিইউএফএল জেটিঘাটে খালাসের সময় পুলিশ প্রায় ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক করে।

অস্ত্র আটকের ঘটনায় ২০০৪ সালের ৩ এপ্রিল কর্ণফুলী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহাদুর রহমান বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(বি) ধারায় এবং ১৮৭৮ সালের ১৯(এ) ধারায় অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি আদালত সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া, অস্ত্র আটক মামলার দুটি ধারায় তাদের যাবজ্জীবন ও ৭ বছর কারাদণ্ড হয়েছিল।

অস্ত্র মামলায় মোট আসামি ছিলেন ৫২ জন। এদের মধ্যে ৩৮ জনকে আদালত মুক্তি দেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাকি আসামিরা হলেন—উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া, সাবেক শিল্পসচিব নুরুল আমিন, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, পরিচালক উইং কমান্ডার (অব.) সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ, উপপরিচালক মেজর (অব.) লিয়াকত হোসেন, এনএসআইয়ের মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন উদ্দিন তালুকদার, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কে এম এনামুল হক, হাফিজুর রহমান, দীন মোহাম্মদ ও হাজি আবদুস সোবহান।

Comments