নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর কবিরহাটে ৪ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আবদুল আউয়াল ওরফে সাজু (২৫) নামে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নৌকার এজেন্টের ৬ মাসের কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি। স্টার ডিজিটাল গ্রাফিক্স

নোয়াখালীর কবিরহাটে ৪ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আবদুল আউয়াল ওরফে সাজু (২৫) নামে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ধর্ষণের ঘটনার ১৮ দিন পর আজ সোমবার ভোরে বেগমগঞ্জ উপজেলার এয়ারপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

এর আগে গতকাল রোববার ৮ জানুয়ারি রাতে ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কবির হাট থানায় এই মামলা দায়ের করেন। 

কবিরহাট থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম আজ সকালে দ্য ডেইলি স্টারকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছর ১৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্ত সাজু শিশুকে সিভিট ট্যাবলেট দিয়ে তার ঘরে নিয়ে যায় এবং আরও কিছু সিভিট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানালে অভিযুক্ত সাজু দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। 

পরে ওই শিশুকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

শিশুটির বাবা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যসহ অনেকে মামলা করতে বাধা দিয়ে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের নামে কালক্ষেপণ করে। পরে তিনি বাধ্য হয়েই থানা পুলিশের আশ্রয় নেন। 

এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'পুলিশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সোমবার ভোরে বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। আসামির বিরুদ্ধে আরও একটি মাদক মামলা রয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে তাকে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।' 

ওসি আরও বলেন, 'গত ১৯ ডিসেম্বর ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বাধার মুখে শিশুটির বাবা আইনের আশ্রয় নিতে পারেননি বলে পুলিশকে জানান। মামলা করতে বাঁধা দিয়ে কালক্ষেপণ করার অভিযোগটি খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার কারণ ধর্ষণের ঘটনা সালিশযোগ্য কোনো অপরাধ না। জনপ্রতিনিধিসহ সমাজপতিদের বিষয়টি জানা ও বাস্তাবায়ন করা জরুরি।'

 

Comments

The Daily Star  | English

BCL men attack quota protesters at DMCH emergency dept

The ruling Bangladesh Chhatra League activists attacked the protesting anti-quota students entering the emergency department of Dhaka Medical College Hospital who gathered there for treatment after being beaten up by the ruling party men at earlier clashes

1h ago