অপরাধ ও বিচার

রিভিউ খারিজ, বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচার মামলা চলবে

২০১১ সালের ১৬ আগস্ট হাফিজ ও তার স্ত্রী মাফরুজা সুলতানার বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরে ১ লাখ ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
হাফিজ ইব্রাহিম। ছবি: সংগৃহীত

বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বড় ভাই ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মু্দ্রাপাচার মামলার বিচারিক কার্যক্রম ৬ মাসের মধ্যে শেষ করতে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এর পাশাপাশি আপিল বিভাগের রায় পুর্নবিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা সাবেক এই সংসদ সদস্যের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি বোরহানউদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী।

২০১১ সালের ১৬ আগস্ট হাফিজ ও তার স্ত্রী মাফরুজা সুলতানার বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরে ১ লাখ ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার বিবরণে বলা হয়, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডকে (বিটিসিএল) মূল টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম সরবরাহের চুক্তিতে সহায়তা করার জন্য সিমেন্স বাংলাদেশ লিমিটেড এই ২ জনের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠিয়েছিল।

২০০৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুরের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের একটি শাখায় এই অর্থ পাঠানো হয়।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর হাফিজ ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী মাফরুজা সুলতানাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকার বিশেষ আদালত-৩ এর বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ব্যাপারে কোনো আইনি বাধা থাকল না।

হাফিজের আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী জানান, এ মামলায় হাফিজ ইব্রাহিম বর্তমানে জামিনে আছেন।

আদালতে হাফিজ ইব্রাহিমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

 

Comments