অপরাধ ও বিচার

কুড়িগ্রামে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

শুক্রবার রাত ১১টায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত বিন্দু ও কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ঝিনুক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হাসপাতালে স্বজনদের ভিড়। ছবি:সংগৃহীত

কুড়িগ্রাম জেলা শহরে প্রাইভেট কারের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পিটুনিতে আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলাম সোয়ান (৪৫) মারা গেছেন।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম শহরের খলিলগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, শুক্রবার রাত ১১টায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত বিন্দু ও কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ঝিনুক মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলাম ওরফে সোয়ান (৪৪) ঘোষপাড়ার আমজাদ হোসেন বুলুর ছেলে। শরিফুল কুড়িগ্রাম পৌর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সদস্য ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের বন্ধু রেদওয়ান মাহমুদ জানান, শরিফুলসহ তারা তিন জন ত্রিমোহনী বাজার এলাকা থেকে প্রাইভেটকারে শহরের দিকে আসছিলেন। খলিলগঞ্জ বাজার এলাকার অভিনন্দন কনভেনশন সেন্টারের সামনে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কা লাগে। মোটরসাইকেলে ছাত্রলীগের দুজন কর্মী ছিলেন। 

খবর পেয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজভি কবির তাদের গাড়ির গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা হামলা করেন। একপর্যায়ে শরিফুল ঘটনাস্থলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন শুক্রবার রাতে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাদেরকে শুক্রবার রাতেই ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় হত্যা মামলা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহতের পরিবার।

Comments

The Daily Star  | English

AL to go tough to quell infighting

Over the first six months of this year, there were on average more than two incidents of infighting every day in Awami League. These conflicts accounted for 94 percent of the total 440 incidents of political violence during the same period.

25m ago