বাংলাদেশ

তুমব্রু সীমান্তে ‘গোলাগুলিতে’ আহত র‍্যাব সদস্যের অবস্থা স্থিতিশীল: চিকিৎসক

বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষে আহত র‍্যাব সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 
ঢামেক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। স্টার ফাইল ফটো

বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে সোমবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষে আহত র‍্যাব সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

আজ মঙ্গলবার সকালে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফজলে এলাহী দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তুমব্রু সীমান্তে র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ডিজিএফআইয়ের এক কর্মকর্তা নিহত হন এবং র‍্যাবের এক সদস্য আহত হন।

সংঘর্ষে আহত র‍্যাব-১৫ ব্যাটালিয়নে কর্মরত সোহেল বড়ুয়াকে (৩০) রাত পৌনে ১০টার দিকে গুরুতর অবস্থায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ডা. ফজলে এলাহী জানান, সোহেল বড়ুয়ার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত আছে। অস্ত্রোপচার করে তার মাথায় জমে থাকা রক্ত বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাকে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। 

তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানান তিনি।

এদিকে মাদক চোরাকারবারিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর 'গোলাগুলির' এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিহত সাজেদা বেগম (২০) তুমব্রু কোনারপাড়ায় শূণ্যরেখায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১৯ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা ছিলেন।

ক্যাম্পের কবরস্থানে আজ সকালে তাকে দাফন করা হয় বলে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা দীল মোহাম্মদ দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন।

তবে সাজেদার মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশের কাছ থেকে নিশ্চিত করা যায়নি। 

তুমব্রু এলাকায় 'গোলাগুলির' ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা জানতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টন্টু সাহার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

Comments

The Daily Star  | English

To Europe Via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

6h ago