ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে হুমকির মুখে শিশুরা

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের চাইল্ড লেবার ইউনিট যে ৪৩টি খাতকে ‘শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে তার মধ্যে ডকইয়ার্ডে শিশুশ্রম অন্যতম। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কাজগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে, অ্যালমুনিয়ামজাত কারখানা, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং, ভলকানাইজিং, মেটাল কারখানার কাজ প্রভৃতি।
ছবি: স্টার

একদিকে গনগণে উত্তপ্ত আগুন, অন্যদিকে বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার উৎকট গন্ধ। এই অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্যে যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকদের পক্ষেই কাজ করা দুঃসাধ্য, সেখানে কাজ করে চলেছে কয়েকজন শিশু। এদের কেউ উত্তপ্ত আগুনে পিতল গলানোর কাজ করছে, কেউ উত্তপ্ত চিমনির মুখে মবিল ফেলছে আবার কেউবা ব্যস্ত লঞ্চের প্রপেলার তৈরির ছাঁচে গলন্ত তামা ঢালায়। অত্যন্ত বিপজ্জনক ও চরম অস্বাস্থ্যকর এই পরিবেশে কাজ করা শিশুদের নেই ন্যূনতম নিরাপত্তা।

সম্প্রতি বুড়িগঙ্গা তীরের একটি ডকইয়ার্ডে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

১৪ বছর বয়সী সাদিক জ্বলন্ত চিমনির মুখে মবিল ঢালার কাজের একফাঁকে জানায়, ৪ বছর ধরে ডকইয়ার্ডে কাজ করছে সে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে একরকম বাধ্য হয়েই কাজে যোগ দিয়েছিল। মাস শেষে যে সাত হাজার টাকা বেতন পায় তাই এখন পরিবারের প্রধান উপার্জন।

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা পাড়ে রয়েছে অনেকগুলো ডকইয়ার্ড। সাদিকের মতো শতাধিক শিশু কাজ করে এসব ডকইয়ার্ডে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে বুড়িগঙ্গা তীরে ডকইয়ার্ডের সংখ্যা ৯৭টি।

সম্প্রতি এখানকার ২০টিরও বেশি কারখানা ঘুরে দেখেন ডেইলি স্টারের এই প্রতিনিধি। মীরেরবাগ এলাকার ডকইয়ার্ডের একটি কারখানার স্বত্বাধিকারী হারুন মিয়া জানান, 'ডকইয়ার্ডে কাজ করা শ্রমিকদের মধ্যে শিশু শ্রমিকই বেশি।'

বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী ডকইয়ার্ডগুলোতে কর্মরত একাধিক শিশুর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ডকইয়ার্ডগুলোতে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কাজ চলে। তবে এসব ডকইয়ার্ডে সব মিলিয়ে কত শিশু কাজ করছে সে পরিসংখ্যান নেই কারো কাছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের চাইল্ড লেবার ইউনিট যে ৪৩টি খাতকে 'শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে তার মধ্যে ডকইয়ার্ডে শিশুশ্রম অন্যতম। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কাজগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে, অ্যালমুনিয়ামজাত কারখানা, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং, ভলকানাইজিং, মেটাল কারখানার কাজ প্রভৃতি।

ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিযুক্ত শিশুর সংখ্যা কত

চলতি বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত 'জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ-২০২২'এর প্রভিশনাল রিপোর্টে বলা হয় দেশে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৮ হাজার ২১২ জন। এর আগে ২০১৩ সালে শিশুশ্রম সমীক্ষা করা হয়েছিল।

জরিপের বিষয়ে জানতে চাইলে জরিপের ফোকাল পয়েন্ট অফিসার মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসাইন খাঁন ডেইলি স্টারকে বলেন, '২০১৩ সালের জরিপের তুলনায় ২০২২ সালের জরিপে ২ লাখেরও বেশি শিশুশ্রমিকের সংখ্যা কমেছে। গতবছর আমরা যেহেতু আইএলও কনভেনশন ১৩৮ সনদে স্বাক্ষর করেছি, আশা করছি, ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে শিশুদের ব্যবহার আমরা পুরোপুরি রোধ করতে পারব।

২০২২ সালে জুন মাসে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় কেবল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকাতেই দেড় লাখের বেশি শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত রয়েছে। প্রতিবেদনটির বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির প্রজেক্ট ম্যানেজার ফারহানা সুলতানা ডেইলি স্টারকে বলেন, '২০২২ সালে আমরা মূলত ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের আনুষ্ঠানিক খাত নিয়েই আমাদের পরিসংখ্যানটি করেছিলাম। কারণ অনানুষ্ঠানিক খাতে শিশু শ্রমিকের সংখ্যাটা বেশি। তবে আমরা যে সংখ্যাটা নিরূপণ করেছি এর বাইরেও অসংখ্য শিশু শ্রমিক রয়েছে।'

বুড়িগঙ্গার তীরঘেঁষেই জিঞ্জিরার তাওয়াপট্টির অবস্থান। সম্প্রতি গিয়ে দেখা যায়, এখানকার ক্ষুদ্র কারখানাগুলোতে অসংখ্য শিশু কাজ করছে। তেমনই একজন ১২ বছর বয়সী রাকিব। কারখানায় অ্যালমুনিয়ামের গোলাকার পাত ঘূর্ণায়মান ছাঁচে ফেলে হাতের সাহায্যে প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ কায়দায় বিভিন্ন তৈজসপত্র তৈরি করছে। করোনাকালীন সময়ে বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেলে পড়াশোনা ছেড়ে কারখানাটিতে যোগ দেয় রাকিব। রাকিব এই প্রতিবেদককে বলে, 'স্কুলে যাইতে ইচ্ছা করে, কিন্তু কারখানা বাদ দিয়া যাওনের উপায় নাই।'

রাকিবের মতো জিঞ্জিরার একটি স্ক্রু তৈরির কারখানায় কাজ করে ১৩ বছর বয়সী সুমন। সমবয়সী অন্য শিশুরা যখন স্কুলে পড়াশোনা আর খেলাধুলা করে, তখন সুমনের দিনের ১২ ঘণ্টা সময়ই কাটে এমন একটি কারখানায় যেখানে মেশিনের তীব্র শব্দে কান পাতা দায়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের দেওয়া তথ্যমতে জিঞ্জিরায় প্রায় দেড় হাজারের মতো ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের কারখানা রয়েছে। জিঞ্জিরার একটি কারখানার স্বত্বাধিকারী নুরুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, 'জিঞ্জিরায় শ্রমিকদের মধ্যে শিশুরাই বেশি। কারণ শিশুদের কম টাকায় রাখা যায়, প্রাপ্তবয়স্কদের বেশিরভাগেরই টাকায় পোষায় না।'

অটোমোবাইল যন্ত্রাংশের উৎপাদন এবং ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ পুরান ঢাকার ধোলাইখাল। অটোমোবাইলের যন্ত্রাংশ তৈরি ও মেরামতের জন্য ধোলাইখাল, নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার ও টিপু সুলতান রোডে রয়েছে হাজারের বেশি কারখানা।

টিপু সুলতান রোডের তেমনই একটি মেশিনারিজ পার্টসের কারখানায় ঝুঁকিপূর্ণ কায়দায় 'মেশিন বুশ' তৈরি করছিল সেতু। পাঁচ মাস আগেও স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ত সেতু। কিন্তু রিকশাচালক বাবা অসুস্থ হওয়ায় সংসার চালানো দুরূহ হয়ে পড়লে পড়াশোনা ছেড়ে কাজ নিতে বাধ্য হয় সে। সেতু এই প্রতিবেদককে বলে, 'কাম না করলে খামু কী! বেবাকেরে না খাইয়া থাকন লাগবো।'

সেতুর মতো একই দশা ধোলাইখালের একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ মেরামতকারী দোকানে কাজ করা রায়হানেরও। ১৩ বছর বয়সী রায়হান জানায়, সাধারণত সে গাড়ির যন্ত্রাংশ থেকে ব্যাটারি, ইঞ্জিনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে থাকে।

দেশের ৮০ ভাগ জিন্স প্যান্টের চাহিদার জোগান দেয়া হয় কেরানীগঞ্জের চর কালীগঞ্জ, আগানগর, কৈবর্ত্যপাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকাসমূহের হাজারের বেশি ক্ষুদ্র পোশাক কারখানা থেকে।

সম্প্রতি এসব এলাকার প্রায় ১৫টি কারখানায় ঘুরে দেখা গেছে এসব কারখানায় বৈদ্যুতিক সেলাই মেশিনে কাজ করা শ্রমিকদের একটি বড় অংশই শিশু শ্রমিক।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মিরপুর, বাড্ডাসহ অন্তত ১০টি এলাকা ঘুরে পঞ্চাশেরও অধিক ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ দেখা গেছে শিশু শ্রমিকদের আধিক্য।

মোহাম্মদপুরের একটি ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপে ঢুকে দেখা গেছে ওয়ার্কশপটিতে কাজ করা পাঁচ জন শ্রমিকের মধ্যে তিন জনই শিশু। এদের একজন ১৬ বছর বয়সী মনোয়ার। মনোয়ারের সঙ্গে যখন এই প্রতিবেদকের কথা হচ্ছিল তখন কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই অবলীলায় ঝালাইয়ের মতো প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি করছিল মনোয়ার।

জানায়, করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরবর্তীতে আর স্কুলে যায়নি সে। কেবল মনোয়ারই নয়, ওয়ার্কশপটিতে কাজ করা পাঁচ জন শ্রমিকের মধ্যে তিন জনই শিশুশ্রমিক। যাদের সবাই কখনো না কখনো স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে।

যে কারণে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে সংযুক্ত হচ্ছে শিশুরা

ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিযুক্ত পঞ্চাশেরও বেশি শিশুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় সব শিশুই পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে এই শিশুদের উপার্জিত সামান্য অর্থই পরিবারগুলোর সবচেয়ে বড় সহায়। কোনো কোনো শিশু তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিও। করোনাকালীন সময়ে বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া অসংখ্য শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে যুক্ত হয়েছে।

যা রয়েছে আইএলও কনভেনশনে

২০২২ সালে সরকার আইএলও কনভেনশন ১৩৮ সনদ (ন্যূনতম বয়স সংক্রান্ত) এ স্বাক্ষর করে। কনভেনশনের নীতিমালা অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বয়স কমপক্ষে ১৮ হতে হবে। তবে কতিপয় বিশেষ অবস্থায় তা ১৬ হতে পারে। তবে এক্ষেত্রেও ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে শিশুদের নিয়োগ দেয়া যাবে দুটি শর্তে। ১. কাজের ধরণ সম্পর্কে আগে জানাতে হবে। ২. প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রয়েছে চরম স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি

ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিযুক্ত শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ইফফাত আরা শামসাদ ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিযুক্ত শিশুরা ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে বা ওয়েল্ডিংয়ে যেসব শিশু কাজ করছে তাদের শিরায় রক্তজমাট বাঁধছে, ফুসফুসে পানি চলে আসছে, দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ডকইয়ার্ডে কাজ করা শিশুদের শ্রবণশক্তি লোপ পাচ্ছে, অটোমোবাইলে যারা কাজ করছে তাদের অ্যাজমার পাশাপাশি গ্যাংগ্রিন হওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে। হেভিমেটালে শিশুদের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি মস্তিস্কে রক্তক্ষরণেরও ঝুঁকি থাকে। এই শিশুদের শরীরের বহির্ভাগের আঘাত হয়তো আমরা দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু শরীরের অভ্যন্তরে যে তারা কতটা ক্ষতিগ্রস্থ এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির মুখে পড়েছে তা কিন্তু দেখছি না।'

বাংলাদেশ শিশু অধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ডেইলি স্টারকে বলেন, '২০১৮ সালে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে শিশুদের ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে নীতিমালা হওয়ার পরেও আমরা এ ব্যাপারে এখনো কোনো আইন করতে পারিনি। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে শিশুশ্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েও পারেনি। এখন ২০২৫ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু সেটিও সম্ভব হবে না। সরকারের একার পক্ষে কখনোই ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত এবং সম্মিলিত উদ্যোগ। আইন হতে পারলে একদিকে যেমন নীতিগত সুবিধা হতো, ঠিক তেমনি শাস্তির ভয়েও নিয়োগকর্তারা শিশুদের নিয়োগ করত না। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে এই বিষয়ে জোরদার ভূমিকা পালন করতে হবে।'

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সরকার যদি আইনও করে তবুও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে বন্ধ হবে না। যেহেতু এই শিশুদের পরিবার তাদের উপার্জনের উপর নির্ভরশীল তাই আর্থিক নিরাপত্তা না পেলে শিশুরা কখনোই ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম থেকে বেরোতে পারবে না। সরকারকে তাই বিশদভাবে এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে যেন শিশুরা কোনোভাবে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে যুক্ত না হতে পারে।'

ৱঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শ্রম অনুবিভাগ) মোহাম্মদ তৌফিকুল আরিফ ডেইলি স্টারকে বলেন, চামড়া শিল্পে শিশুশ্রম বন্ধ হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি জোন চিহ্নিত করেছি। আমরা নিয়মিতই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছি। যেন এই শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম থেকে বের করে স্কুলগামী করা যায়।'

 

(প্রতিবেদনে শিশুদের ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে এবং তাদের গোপনীয়তা রক্ষায় ছবিতে তাদের মুখ ঝাপসা করা হয়েছে।)

 

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

8h ago