আজ বিকাল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

এটি ২০২৪ সালেরও প্রথম অধিবেশন। সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রপতি প্রতি বছর সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি: স্টার ফাইল ফটো

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ বিকেল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।

এটি ২০২৪ সালেরও প্রথম অধিবেশন। সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রপতি প্রতি বছর সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

এর আগে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালের প্রথম সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস'কে জানান, রাষ্ট্রপতির ভাষণ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন, সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রাধান্য পাবে বলেও জানান তিনি।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানা গেছে, ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আসন বিন্যাসের কাজ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এই অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল উত্থাপন হওয়ার কথা আছে বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়।

আজ সংসদের কার্যপ্রণালী শুরুর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদীয় কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে অধিবেশনের কার্যকাল ও আলোচ্যসূচি ঠিক করা হবে।

সংসদে একাদশ সংসদের মতোই এবারও বিরোধী দল হিসেবে থাকছে জাতীয় পার্টি। এর পাশাপাশি ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আছেন দ্বাদশ সংসদে। জাতীয় পার্টির পাশাপাশি সংসদে বিরোধী ভূমিকায় থেকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার সুযোগ আছে স্বতন্ত্র এমপিদের।

অধিবেশনের প্রথম দিনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর নতুন সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেবেন সদস্যরা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ভোট হওয়া ২৯৯টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২২৩টি। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি পেয়েছে একটি করে আসন। স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২ আসনে ভোট হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

Comments

The Daily Star  | English
Pilkhana BDR Mutiny

Carnage At Pilkhana BDR HQ: 15 years on, justice yet to be meted out

Fifteen years have passed since the BDR mutiny that killed 74 people, including 57 army officials, but the victim families are yet to get final justice and the accused their due punishment, as both the cases filed over the incident have not yet been disposed of due to lengthy legal processes and courts being overburdened with cases.

11h ago