নুরের ওপর হামলায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই: প্রেস সচিব

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে লাঠিপেটার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ ঘটনায় একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ শনিবার সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি এবং পরে প্রেস সচিব শফিকুল আলমের এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
সরকারের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ের পক্ষে সাহসী ভূমিকা রাখা রাজনীতিবিদ নুরুল হক নূরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই নৃশংস ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করা হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, জড়িত কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না। স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার সাথে এর বিচার সম্পন্ন করা হবে।
পরে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, 'আজকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে একটা জুডিশিয়াল প্রোব (বিচার বিভাগীয় তদন্ত) হবে।'
নুরের ওপর হামলায় জড়িতদের ব্যাপারে প্রেস সচিব বলেন, 'আমি যেটা জানি উনি হচ্ছেন একজন পুলিশ কনস্টেবল, উনি ডিউটিতেই ছিলেন। বাকিটা আপনারা ডিএমপির কাছ থেকে জানতে পারবেন।'
নূর এবং তার দলের অন্য সদস্যদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানো হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, 'নির্বাচন ঠিক যথাসময়ে হবে। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধের আগে, মানে রোজার আগে ইলেকশন হবে। কোনো ধরনের কোনো কনস্পিরেসি (ষড়যন্ত্র) এটাকে থামাতে পারবে না।'
সরকারের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়, 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সকল ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে।'
Comments