ওবায়দুল কাদেরের অনুরোধ রাখা সম্ভব নয়: পরিবহন নেতা

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনুরোধের পরও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট প্রত্যাহার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংগঠনের এক শীর্ষ নেতা।
Transport strike mohakhali
২৮ অক্টোবর ২০১৮, পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘটে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। ছবি: প্রবীর দাশ

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনুরোধের পরও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট প্রত্যাহার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংগঠনের এক শীর্ষ নেতা।

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে আজ (২৮ অক্টোবর) আমাদের স্টাফ সংবাদদাতাকে জানান, “বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সরকারের কাছে দাবির একটি তালিকা জমা দেওয়া হয়। কিন্তু, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এতে কর্ণপাত করেননি।”

পরিবহন শ্রমিক নেতা বলেন, “ধর্মঘট শুরু হওয়ার আগে তিনি (কাদের) এই অনুরোধ করতে পারতেন। নতুন সরকার অথবা নতুন সংসদ আসলে পরিবহন শ্রমিকদের দাবিগুলো বিবেচনা করে দেখা হবে- এমন কথা বলার আগে তো তিনি পরিবহন শ্রমিক নেতাদের আলোচনায় ডাকতে পারতেন। তিনি তা করেননি।”

আজ দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত সেতু ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিতে পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের প্রতি অনুরোধ জানান কাদের। একইসঙ্গে সম্প্রতি পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিরও পুনরাবৃত্তি করেন তিনি।

এর আগে, গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, “এ সরকারের শেষ মেয়াদে আইনটি সংশোধনের প্রশ্নই উঠে না। কারণ আমাদের হাতে সময় আছে মাত্র দুই দিন। দুদিন পরেই সংসদের শেষ অধিবেশনের সমাপ্তি ঘটবে। কাজেই এ সময়ে এটি আর সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই।”

পরিবহন খাতের নেতাদের সঙ্গে তিন বছর ধরে আলোচনার পর এই আইনটি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Comments

The Daily Star  | English
Cyclone Remal | Sundarbans saves Bangladesh but pays a heavy price

Sundarbans saves Bangladesh but pays a heavy price

The Sundarbans, Bangladesh’s “silent protector”, the shield and first line of defense against natural disasters, has once again safeguarded the nation from a cyclone -- Remal.

12h ago