এমন হারের কোন অজুহাত নেই

Mashrafee Mortaza
ফাইল ছবি: ফিরোজ আহমেদ

একটা বহর আগে গেলেও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও চার খেলোয়াড় নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছেন দুই দিন আগেই। কোন প্রস্তুতি ছাড়া তাই নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন একটু কঠিনই ঠেকল তাদের জন্য। কিন্তু তাই বলে ব্যাটিং স্বর্গে পুঁজি মাত্র ২৩২ রান। হারটাও ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানের। এর জন্য কোন অজুহাত দাঁড় না করিয়ে ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই দায় দিলেন অধিনায়ক।

নেপিয়ারে এদিন টসটা জিতেছিল বাংলাদেশই। উইকেট ব্যাটসম্যানদের উপযোগী জেনেই অধিনায়ক বেছে নিয়েছিলেন ব্যাটিং। কিন্তু কি করলেন ব্যাটসম্যানরা। শুরুতেই ফিরে যান তামিম ইকবাল। কিছুক্ষণ পরই তার পথ ধরেন আরেক ওপেনার লিটন কুমার দাস। এরপর একে একে তাদের পথ ধরে ৯৪ রানেই নেই টপ অর্ডারের ৬ উইকেট। তাতেই কার্যত শেষ জয়ের স্বপ্ন। এরপর শেষ দিকে মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন রেকর্ড জুটি গড়লেও তাতে কেবল সম্মান রক্ষা হয়েছে।

আর তাই ম্যাচ শেষে হারের জন্য কোন অজুহাতই দেননি মাশরাফি। ব্যাটসম্যানদেরই কাঠগড়ায় তুলেছেন অধিনায়ক, 'এটা খুব কঠিন ছিল। ব্যাট হাতে আমরা সংগ্রাম করেছি, শুরুতেই অনেক বেশি উইকেট হারিয়েছি। তারা ভালো বল করেছে কিন্তু আমরা বেশি উইকেট খুইয়েছি। এর কোনো অজুহাত নেই। আমাদের এ কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে এক সপ্তাহের মতো সময় দরকার ছিল। তবে আমি খুব বেশি অজুহাত তৈরি করতে চাই না।'

বাজে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে এদিন বোলিংও খুব সুবিধাজনক হয়নি। ফিল্ডিংও ছিল যাচ্ছে তাই। বেশ কিছু ক্যাচ ও রানআউট মিস হয়েছে। তবে পরের ম্যাচে সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয় ঝরে অধিনায়কের কণ্ঠে, 'আমাদের অবশ্যই পরের ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। আমার মনে ব্যাটিংই সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়। পাশাপাশি আমাদের বোলিং নিয়েও কাজ করতে হবে। আমরা আজকে খুব খারাপ বোলিং করিনি। কিন্তু ২৩২ রান ডিফেন্ড করা আসলে অনেক কঠিন।'

২৩৩ রানের লক্ষ্য দিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল শুরুতে উইকেট নেওয়া। সেটা করতে পারেনি টাইগাররা। উল্টো ১০৩ রানের ওপেনিং জুটিতে উড়ন্ত সূচনা পায় কিউইরা। সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মার্টিন গাপটিল। ফলে ৮ উইকেটের বড় হারই মানতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

Comments

The Daily Star  | English
Mirza Fakhrul on polls

Efforts on to make polls questionable and delayed: Fakhrul

Says Chief Adviser Yunus has assured BNP that the election will be held in February 2026

6h ago