বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কলকাতার সহায়তা চায় ঢাকা

ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) তাজুল ইসলাম। গতকাল (৯ মার্চ) বিকেলে কলকাতা করপোরেশনের মেয়রের কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
Dhaka Kalkata
কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে করমর্দন করছেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। ছবি: স্টার

ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) তাজুল ইসলাম। গতকাল (৯ মার্চ) বিকেলে কলকাতা করপোরেশনের মেয়রের কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠকে ঢাকার নগর ব্যবস্থাপনার বেশ কিছু চিত্র তুলে ধরেন এলজিআরডি মন্ত্রী। এরপর, কলকাতায় কীভাবে নগর ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয়ে আসছে, সেসব বর্ণনা করেন কলকাতার মেয়র।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত সচিব (আরবান ডেভেলপমেন্ট) মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. কাজী আনোয়ারুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আব্দুর রাজ্জাক (চিফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট), এ কে এম রেজাউল ইসলাম, জাহিদ হোসেন চৌধুরী এবং কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান।

বৈঠক শেষে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, “কলকাতার মেয়রের সঙ্গে দুই শহরের পরিস্থিতি এবং পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছি। তার পরিকল্পনার কিছু বিষয় আমাদের ভালো লেগেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আসলে বর্জ্য ব্যবস্থপনার বিষয়টিতে জোর দিয়েছি। সে বিষয়ে কলকাতার মেয়র আমাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।”

কলকাতার মেয়র তথা নগর ও পৌর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “ঢাকা আমাদের নিজেদেরই শহর। ওই শহরে আমাদেরও অনেক স্বজনেরা থাকেন। তাই ওই শহরের প্রয়োজনে আমরা যদি কাজ করতে পারি, তবে ভাববো ভাইয়ের পাশে ভাই দাঁড়িয়েছে।”

তিনি বলেন, “মূলত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েই বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তাকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।”

তবে, ফিরহাদ হাকিম বা কলকাতা পৌরসভার কোনও প্রতিনিধি দলের ঢাকায় যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কী না তা জানাননি তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Foreign airlines’ $323m stuck in Bangladesh

The amount of foreign airlines’ money stuck in Bangladesh has increased to $323 million from $214 million in less than a year, according to the International Air Transport Association (IATA).

12h ago