পিএসজি ছাড়তে চান না নেইমার

চলতি মৌসুম শেষেই প্যারিস সেইন্ত জার্মেই (পিএসজি) ছাড়তে চান নেইমার। ফুটবল পাড়ায় এমন গুঞ্জনই অনেক দিন থেকে চাউর। এমনকি বার্সেলোনাতেও ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন এ ব্রাজিলিয়ান। রিয়াল মাদ্রিদ তো তাকে পাওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে অনেক দিন থেকেই। কিন্তু সিদ্ধান্ত বদলেছেন নেইমার। পিএসজিতেই তিনি থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তার বাবা নেইমার সান্তোস সিনিয়র।
ছবি: এএফপি

চলতি মৌসুম শেষেই প্যারিস সেইন্ত জার্মেই (পিএসজি) ছাড়তে চান নেইমার। ফুটবল পাড়ায় এমন গুঞ্জনই অনেক দিন থেকে চাউর। এমনকি বার্সেলোনাতেও ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন এ ব্রাজিলিয়ান। রিয়াল মাদ্রিদ তো তাকে পাওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে অনেক দিন থেকেই। কিন্তু সিদ্ধান্ত বদলেছেন নেইমার। পিএসজিতেই তিনি থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তার বাবা নেইমার সান্তোস সিনিয়র।

আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমারের বাবা বলেছেন, 'আমরা এখানে মাত্র দ্বিতীয় মৌসুম খেলছি এবং এটা এখনও শেষও হয়নি। আমাদের একটা চুক্তি রয়েছে যেটা মাঝপথে ফেলে যেতে পারি না। দল ছাড়ার গুঞ্জনটা সবসময়ই থাকবে। দুই বছর আগেই পিএসজিতে খেলার অভিপ্রায় দেখিয়েছে নেইমার। তাই সমর্থকরা সহজে ঘুমাতে পারেন। বর্তমানে নেইমার পিএসজি ছাড়তে চায় না। সে দলের শিরোপা জয়ে সাহায্য করতে চায়।'

২০১৭ সালের গ্রীষ্মের দল বদলে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে নাম লেখান নেইমার। মূলত মেসির ছায়া থেকে মুক্তি পেতেই বার্সেলোনা ছেড়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়েও খুব একটা ভালো ছিলেন না এ ব্রাজিলিয়ান। শুরু থেকেই এডিসন কাভানির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। এরপর কিলিয়ান এমবাপের তারকা খ্যাতি অনেকটা নেইমারকে ছাড়িয়ে যায়। তাই দল ছাড়ার গুঞ্জনটা ছিল জোরেশোরেই।

গত জানুয়ারিতে ফরাসি কাপে স্ত্রাসবুরের বিপক্ষে ম্যাচে ডান পায়ের পাতার মেটা টারসালে আঘাত পেয়ে আড়াই মাসের জন্য ছিটকে গিয়েছিলেন নেইমার। ইনজুরি কাটিয়ে গত সপ্তাহে অনুশীলনে ফিরেছিলেন। তবে ফিজিও তত্ত্বাবধানে আলাদা করে অনুশীলন করেছিলেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ক্লাবের হয়ে অনুশীলন শুরু করেছেন পিএসজির এ ব্রাজিলিয়ান তারকা।

Comments

The Daily Star  | English
62% young women not in employment, education

62% young women not in employment, education

Three out of five young women in Bangladesh were considered NEETs (not in employment, education, or training) in 2022, a waste of the workforce in a country looking to thrive riding on the demographic dividend, official figures showed.

8h ago