ফুটবল

তবুও ভিএআরে অসন্তুষ্ট টটেনহ্যাম কোচ!

কি নাটকই না হয়ে গেল ম্যাচে। ম্যাচের যোগ করা সময়ে লক্ষ্যভেদ করে উল্লাসে মেতে উঠেছিলেন স্টার্লিং। সঙ্গে পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়াম। কিন্তু ভিএআরের একটি সিদ্ধান্তেই পিন পতন নীরবতা। এর আগে ভিএআরের আরও সিদ্ধান্ত গিয়েছে টটেনহ্যামের পক্ষে। যাতে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় স্পাররা। কিন্তু তারপরও ভিএআরে খুব একটা খুশী নন টটেনহ্যামের আর্জেন্টাইন কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো।
ছবি: রয়টার্স

কি নাটকই না হয়ে গেল ম্যাচে। ম্যাচের যোগ করা সময়ে লক্ষ্যভেদ করে উল্লাসে মেতে উঠেছিলেন স্টার্লিং। সঙ্গে পুরো ইতিহাদ স্টেডিয়াম। কিন্তু ভিএআরের একটি সিদ্ধান্তেই পিন পতন নীরবতা। এর আগে ভিএআরের আরও সিদ্ধান্ত গিয়েছে টটেনহ্যামের পক্ষে। যাতে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় স্পাররা। কিন্তু তারপরও ভিএআরে খুব একটা খুশী নন টটেনহ্যামের আর্জেন্টাইন কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো।

শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের টিকেট কেটেছে টটেনহ্যাম। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ চারে খেলবে দলটি। তবে ম্যাচে ঘটা নানা ঘটনায় বিতর্ক কম হচ্ছে না। বিশেষ করে ফের্নাদো লোরেন্তের গোল নিয়ে নানা বিতর্ক। একই ঘটনায় ক্যামেরার ভিন্ন অ্যাঙ্গেল ভিন্ন ফলই দিচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত ফলাফল পক্ষে যায় অতিথিদের। আর অ্যাওয়ে গোলের সুবাধেই ভাগ্যের শিকে খোলে দলটির।

সে গোল সম্পর্কে টটেনহ্যাম কোচ পচেত্তিনোর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। আর্জেন্টাইন কোচের উত্তর, 'আমি দেখিনি, আমি শপথ করে বলছি দেখিনি। এমন ম্যাচের পর নিজেকে শান্ত রাখা খুব কঠিন। আপনাকে ভিএআরে বিশ্বাস রাখতে হবে এটা আপনার পক্ষে যাক কিংবা বিপক্ষে। ভিএআর নিয়ে ফুটবলের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় খেলাটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। আমি ভিত্তিতে সমর্থন করি এবং রেফারিদের সাহায্য করতে চাই। তবে এক বছর আগেও আমি এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম। এখনও আমার অনুভূতি একই।'

সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে যাওয়ার পর আধুনিক এ প্রযুক্তির উপর সম্পূর্ণ নিশ্চিত নন পচেত্তিনো। আর তার যুক্তিও দিয়েছেন এ কোচ, 'যখন সিদ্ধান্ত আপনার পক্ষে যাবে এটা মেনে নিবেন। যখন যাবে না তখনও মানতে হবে। ধরেন প্রথম লেগে ফের্নান্দিনহোর সঙ্গে হ্যারি কেইনের যে ঘটনা হয়েছে সেটা রেফারির বিশ্লেষণ করে দেখা উচিৎ ছিল। আমরা দেখছি এমন ঘটনা প্রত্যেকটা ম্যাচেই ঘটছে। যেমন গতকালই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে বার্সেলোনার ম্যাচে। ওইটা কি পেনাল্টি ছিল নাকি ছিল না?'

তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে যাওয়ায় খুশী পচেত্তিনো। আর তার সব কৃতিত্ব দিচ্ছেন দলের খেলোয়াড়দেরই, ‘আমার খেলোয়াড়রা সবাই নায়ক। আমি তাদের আগেই বলেছিলাম যাই ঘটবে আমি নিজে গর্বিত অনুভব করব। সেমিফাইনালে যেতে আমাদের ইতিহাস গড়তে হতো, তাই করেছে। আমি অনেক খুশী। ছেলেদের নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। সবচেয়ে বড় কথা আমরা এখন সেমিফাইনালে এবং আমরা প্রাপ্য হিসেবেই আমরা উঠেছি।’

Comments

The Daily Star  | English

Consumers brace for price shocks

Consumers are bracing for multiple price shocks ahead of Ramadan that usually marks a period of high household spending.

7h ago