সড়ক দুর্ঘটনায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত

ফাহমিদা হক লাবণ্য

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের পাশের সড়কে দুর্ঘটনায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম ফাহমিদা হক লাবণ্য (২১)। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিং ব্যবহার করে শ্যামলী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। আহত অবস্থায় লাবণ্যকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দুর্ঘটনাটি হলেও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি। এ ঘটনায় আহত রাইডার সুমনকে হাসপাতালে পায়নি পুলিশ।

শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটলো সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আশেপাশে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরাও নেই।

“তবে কেউ কেউ বলছেন, মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর একটি লরি সেটিকে ধাক্কা দিয়েছিল। আমরা সঠিক কারণ জানার চেষ্টা করছি।”

এসআই নুরুল ইসলাম আরও বলেন, হৃদরোগ ইন্সটিটিউট থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বলা হয় দুর্ঘটনায় আহত দুইজন তাদের হাসপাতালে এসেছেন। সেখান থেকে থানায় ফোন করা হলে আমি ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু কোনো গাড়ি বা বাসের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কি-না তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি। আশেপাশে যেসব সিসিটিভি ক্যামেরা আছে সেগুলো ঘটনাস্থলের আওতায় পড়ে না। তাই মূল ঘটনাটি জানতে বেগ পেতে হচ্ছে। পুলিশ হাসপাতালে যাওয়ার আগেই মেয়েটির মৃত্যু হয়। তার বাসা শ্যামলীর ৩ নম্বর রোডে। হাসপাতালে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, মেয়েটি রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে শ্যামলী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় যাচ্ছিলেন। রাইডার সুমনও (২৩) দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে চলে যান। তিনি তার প্রেসক্রিপশনও নেননি। ফোন করা হলে একবার তার সঙ্গে কথাও হয়। কিন্তু এর পর থেকেই তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

শেরেবাংলা নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানে আলম মুন্সি বলেন, “এ ঘটনায় বাইক চালক পলাতক রয়েছে, তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷”

ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Parts of JP HQ set on fire

Protesters linked to Gono Odhikar Parishad demand ban on JP, accuse it of siding with Awami League

5h ago