অতীত ইতিহাসই ফাইনালে এগিয়ে রাখবে বাংলাদেশকে

মঙ্গোলিয়াকে ৫টি, তাজিকিস্তানকে ৬টি আর সেমিফাইনালে কিরগিজস্তানকে ৭টি গোল দিয়েছে লাওস। তিন ম্যাচে ১৮ গোল দেওয়া এ প্রতিপক্ষ নিঃসন্দেহে স্বাগতিক বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে জন্য বড় হুমকি। এমনকি অনেকেই তাদের ফেবারিটও মানছেন। কিন্তু বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন তাদের নিয়ে ভাবছেন না। অতীতে এমন অনেক শক্তিশালী দলের বিপক্ষের জয়ই আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে তাদের।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

মঙ্গোলিয়াকে ৫টি, তাজিকিস্তানকে ৬টি আর সেমিফাইনালে কিরগিজস্তানকে ৭টি গোল দিয়েছে লাওস। তিন ম্যাচে ১৮ গোল দেওয়া এ প্রতিপক্ষ নিঃসন্দেহে স্বাগতিক বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে জন্য বড় হুমকি। এমনকি অনেকেই তাদের ফেবারিটও মানছেন। কিন্তু বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন তাদের নিয়ে ভাবছেন না। অতীতে এমন অনেক শক্তিশালী দলের বিপক্ষের জয়ই আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে তাদের।

গত সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে শক্তিশালী ভিয়েতনামের বিপক্ষে নামার আগেও একই আলোচনা ছিল। গ্রুপ পর্বে দুই দলই ২৫টি করে গোল দেওয়ায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আশা করেছিল সবাই। তবে সে ম্যাচে ২-০ গোলে সহজেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। সে ম্যাচের উদাহরণ টেনে আনলেন বাংলাদেশ কোচ। তাই ফাইনালে লাওসকে ভয় পাচ্ছে না তার দল।

‘আমরা এখানে ভিয়েতনামের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সঙ্গে খেলেছি। ওরা কিন্তু এমন দলই ছিল। ওরাও খুব ভালো করছিল আমরাও একদিক দিয়ে আসছিলাম। পরে আমাদের মেয়েরা ওদের ভালোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেছে। ভুটানে আমরা নেপালের সঙ্গে আর শেষ মিয়ানমারের মাটিতে খুব চাপের মধ্যে মেয়েরা খুব ভালো ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেছে।’ – লাওসের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছোটন মনে করিয়ে দিলেন আগের স্মৃতি।

তবে তারপরও দুশ্চিন্তা কাটছে না। যে কিরগিজস্তানকে হারাতে ঘাম ছুটে গিয়েছিল বাংলাদেশের, সে কিরগিজদের লাওস হারিয়েছে হেসে খেলে। মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষেও বাংলাদেশের চেয়ে বড় জয় পেয়েছে তারা। তবে সব জেনে প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও নিজেদেরই এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশ কোচ, ‘আমি মনে করি লাওস অবশ্যই ভালো দল। কিন্তু আমাদের মেয়েরাও ভালো।’

ফাইনাল ম্যাচ বলেই আশাটা বেশি ছোটনের। তাদের জন্য ভিন্ন পরিকল্পনাও তৈরি করেছেন বলে জানান তিনি, ‘ওইটা সম্পূর্ণ ভিন্ন ম্যাচ, ফাইনাল ম্যাচ। লাওসের তিনটি খেলায় আমরা দেখেছি। আমাদের পরিকল্পনাও তো অবশ্যই বদলাবে। অন্য পরিকল্পনা আছে।’ তবে মেয়েদের নিজেদের খেলাটা খেলার নির্দেশ থাকবে কোচের, ‘ওরা যে ফুটবল খেলেছে এ খেলার মধ্যেই থাকতে হবে। সব ম্যাচই ফাইনালে মনে করে খেলেছি। আমি মনে করি এটাই মেয়েদের ভিতর থাকা উচিৎ। ’

লাওস একদিন আগে সেমি-ফাইনাল খেলেছে। তাই রিকোভারি করতে ২৪ ঘণ্টা বেশি সময় মিলেছে তাদের।  এ দিক থেকেও কিছুটা এগিয়ে প্রতিপক্ষ। তবে নিজেরাও খুব দ্রুত রিকোভারি করে সেরাটা মাঠে দিতে পারবেন বলে আত্মবিশ্বাসী ছোটন, ‘একদিন আগে যখন ওরা খেলেছে মানে ২৪ ঘণ্টা ওরা রিকোভারি করে ফেলেছে। আমরা এদিকে ২৪ ঘণ্টা পরে খেললাম। আমাদের থেকে তো ওরা কিছুটা আগায় থাকবেই। আমরা চেষ্টা করব এ দুই দিনে যেন আমাদের মেয়েরা ভালো ভাবে রিকোভারি করতে পারে।’

Comments