বিমানের টিকিট বিক্রি বেড়েছে

রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকিট বিক্রির হার বেড়েছে। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দাবি- তারা বিমানের টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত দুর্নীতি রোধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে টিকিট বিক্রির এই হার বেড়েছে।
biman bangladesh
ফাইল ফটো

রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকিট বিক্রির হার বেড়েছে। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দাবি- তারা বিমানের টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত দুর্নীতি রোধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে টিকিট বিক্রির এই হার বেড়েছে।

বিমানের তথ্যে জানা যায়, গত বছরের এপ্রিলর তুলনায় সংস্থাটির টিকিট বিক্রির হার বেড়েছে ৫২.৭২ শতাংশ। যার আর্থিক মূল্য ৪১৩ কোটি টাকা।

বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটনসচিব মোহাম্মদ মহিবুল হকের দাবি- বিমানের আসন বুকিং নিয়ে একটি অসাধুচক্র কাজ করছিলো। মন্ত্রণালয় সেই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় টিকিট বিক্রির হার বেড়েছে।

তিনি জানান, গত ডিসেম্বর এই চক্রটির সন্ধান পায় মন্ত্রণালয়, তারপর শুরু হয় তদন্ত। এরপরই জানুয়ারি থেকে টিকিট বিক্রির হার বাড়তে থাকে। গত বছরের তুলনায় গত চার মাসে টিকিট বিক্রির হার বেড়েছে ৩৬ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা।

biman ticket

সচিব বলেন, বিমানের টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা অনলাইনে করা হলেও সংস্থাটির কর্মকর্তারা তা হাতে হাতেই করতেন। এর ফলে সেই অসাধুচক্র টিকিট বিক্রিতে বাধা দিতো এবং তারা বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে বেশি দামে টিকিট যাত্রীদের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করতো। এর ফলে অনেক টিকিট অবিক্রিত থেকে যেতো। যার জন্যে লোকসান গুণতে হতো সরকারি সংস্থাটিকে।

“আমরা হাতে হাতে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থাটি বন্ধ করে দিয়েছি” বলেও জানান সচিব।

মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, যদিও গত মার্চ পর্যন্ত অনেক খালি আসন নিয়েই বিমানকে উড়তে হয়েছিলো তবে এপ্রিলের প্রথম থেকে বিমানের লন্ডন ফ্লাইটের সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

যদি অনলাইনে টিকিট বিক্রির এই ব্যবস্থা অব্যহত রাখা যায় এ বছরের মধ্যেই বিমান লাভের মুখ দেখতে পারবে বলেও জানান সেই কর্মকর্তা।

জানা যায়, গত বছর বিমানের লোকসান হয়েছিলো ২০১ কোটি টাকা। আর এ বছরের প্রথম চারমাসেই সংস্থাটি লাভ করেছে ২০০ কোটি টাকার বেশি।

Click here to read English report

Comments

The Daily Star  | English

PM's comment ignites protests across campuses

Hundreds of students from several public universities, including Dhaka University, took to the streets around midnight to protest what they said was a "disparaging comment" by Prime Minister Sheikh Hasina earlier in the evening

6h ago